Saturday, 24 October 2015

ONLINE EARNING TIPS : ADSENSE IDEA

ONLINE EARNING TIPS : ADSENSE IDEA: Ad sense  topic are below 01. Loan 02. Insurance 03. Credit Program 04. Online Degree 05. Soft ware 06. Entertainment (Movie) To ge...

Thursday, 22 October 2015

কিভাবে নতুন Youtube Channel থেকে সাফল্য লাভ করবেন


একটি নতুন ইউটিউব চ্যানেলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। প্রথমদিকে কোন ভিউ থাকে না, সাবক্রাইবারস থাকে না, চ্যানেল পপুলারিটি থাকে না। তাই এটি আরো জটিল হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে দরকার প্রচুর ধৈর্যশক্তি ও কাজ করার ক্ষমতা। কিছু বিষয় মাথায় রেখে মেনে চললে এই কাজটার কষ্ট অনেকটা কমে যায়।

প্রথমত যা লাগবেঃ

১. Screen Video Recording Software

ভিডিও রেকর্ডিং সফটওয়্যার হিসেবে আমি Suggest করব আপনাদের Camtasia ব্যবহার করার জন্য। আমি নিজেও Personally এটা ব্যাবহার করি। Screen Video Recording সহ বেসিক লেভেলের এডিট করা যায়।
htt//goo.gl/ttnfwD এখান থেকে এর Trial ডাউনলোড করতে নিতে পারেন।

২. Video Editing Software

শুরুর দিকে এডিটিংও Camtasia দিয়েই করতে পারেন। এছাড়া এর চেয়ে ভালো এডিটিং এর জন্য Windows Movie Maker রয়েছে। Advance Editing এর জন্য Adobe Premiere Pro এবং Adobe After Effects সবচেয়ে ভালো হবে।

৩. Photo Editing Software

বিশেষ করে Thumbnail তৈরি করার জন্য একটি Photo Editing Software দরকার। Photo Editing এর জন্য Adobe Photoshop এর জুরি নেই।

৪. ক্যামেরা

ক্যামেরা থাকতেই হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু ভিডিও এর আরো মান বাড়ানোর জন্য ক্যামেরা ব্যাবহার করা সবচেয়ে ভালো। একজন ভিউয়ার একটি ভিডিওতে একজন মানুষের শুধু কথার তুলনায় তার চেহেরা সহকারে বর্ণনাকে বেশি বিশ্বাস করেন। তাই এর ফলে খুব দ্রুত আপনার Subscriber ও ফলোয়ার বাড়বে।

৫. একটি ইউটিউব চ্যানেল

এরপর শুধু একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করুন। ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে আপনাদের এই ডকুমেণ্টটি সাহায্য করবে, http://bn.rubelsbs.com/archives/132

Advance Part:

এইসব উপকরণ নেয়া হয়ে গেলে এরপর কোমর বেধে মূল কাজে নেমে পড়ুন।

আকর্ষণীয় চ্যানেলের নাম

চ্যানেলেরটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চ্যানেলের নাম ভালো না হলে আপনার চ্যানেল সেরকম কোন ভালো পর্যায়ে যাওয়ার আগেই ভেঙ্গে পড়তে পারে। সবার থেকে আলাদা নাম রাখুন। যার নামে এর আগে কোন চ্যানেল তৈরি হইনি। না পেলে সময় নিন, ধীরে সুস্থে ভাবুন। এমন চ্যানেলের নাম রাখুন যা মানুষের জন্য কিছু অর্থ রাখবে এক কথাতেই আপনার পুরো চ্যানেলের বিষয় বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলবে।
কখনই চ্যানেলের নাম কিওয়ার্ড এর সাথে পুরোপুরি মিলিয়ে রাখবেন না। এতে আপনার তেমন কোন বেশি একটা লাভ হবে না।
আমার একটা চ্যানেল আমার নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড এর নাম দিয়ে বানানো হয়েছিল। ঐটার সাবসক্রাইবার এখন বর্তমানে 400+। এই একই কিওয়ার্ড এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপনার আর একটি চ্যানেলের একটি Unique নাম রেখেছিলাম। বর্তমানে সেখানে এখন 7000+ Subscriber আছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এটি আপনার চ্যানেলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

অনন্য

চ্যানেলের কভার, Profile Picture, Description, Home Customization অবশ্যই উন্নত করে রাখবেন। যাতে চ্যানেলের নাম এবং এর প্রতিটি বস্তু একে অপরের সাথে সম্পূর্ণভাবে খাপ খায় এবং সুন্দর দেখায়।

প্রচুর ভিডিও

ভিউ নেই বলে থেমে যাবেন না। ভিডিও আপলোড করতে থাকুন এবং কিন্তু তা অবশ্যই ভালো মানের ভিডিও হতে হবে।

সময় নষ্ট করবেন না

ভিডিও তৈরির প্রতিটি সেকেন্ডই মূল্যবান সেকেন্ড সময়ই মূল্যবান। কখনই একটি সেকেন্ড এর জন্যও আপনার ভিউয়ারসদের বিরক্ত হতে দিবেন না। একটুখনের জন্য তারা বিরক্ত হয়ে গেলেই তারা বাউন্স করবে। বাউন্স রেট 70% এর নিচে থাকলেই তা নেগেটিভ হিসেবে ধরা হয়।

Social Media এর সঠিক ব্যাবহার

বর্তমানে আধুনিক জীবনে মানুষ Google, Youtube থেকে আরো বেশি Facebook, Twitter, Instagram ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া বেশি চালায়। তাই অবশ্যই প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ফ্যান পেজ তৈরি করুন। ঐখান থেকে আপনার চ্যানেলের ব্রান্ডিং করুন। কিন্তু অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, এটি অ্যাডসেন্স তাই নিজের অফিশিয়াল পেজ ব্যতীত অন্য কোন জায়গায় পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভিডিও প্রকাশ করার সঠিক সময়

একটি নির্দিষ্ট সময় চ্যানেলে ভিডিও ছাড়লে Audience এর সর্বচ্চ Engagements পাওয়া যায়। এর ফলে সাধারন ভিউ থেকে শতকরা 40%+ এর চেয়ে বেশি ভিউ পাওয়া সম্ভব।
চ্যানেলের ভিউয়ারস এর স্থান, ভাষা ও ইন্টারেস্ট এর উপর এই সময় নির্ভর করে। উদাহরণ হিসেবে আমার চ্যানেলের কথা বলি, আমার চ্যানেলের বেশিরভাগ ভিসিটর US, Canada এবং India থেকে আসে। তাই আমি আমার বেশিরভাগ ভিডিও প্রতি সাপ্তাহের রবিবার একটি ও মঙ্গলবারে আর একটি ভিডিও পাবলিশ করি এবং Extra সময় পেলে শুক্রবারে আর একটি ভিডিও ছাড়ি।
এভাবে আপনিও আপনার নির্দিষ্ট সময় নির্বাচন করে নিতে পারেন।

সঠিক ভিডিও SEO

চ্যানেলের পপুলারটির 60%+ নির্ভর করে ভিডিও এস.ই.ও এর উপর। ভিডিওতে ভালো ভিউ আনতে হলে অবশ্যই ভালো SEO করতে হবে। বাকিসব কন্টেন্ট এর কোয়ালিটির উপর নির্ভরশীল।

Thumbnails

ইউটিউব এর ভিডি দেখার আগে ভিউয়ারস তার Thumbnail দেখে বিবেচনা করে সেই ভিডি দেখে। এই Thumbnail সে সর্বচ্চ ১-২ সেকেন্ড দেখে থাকে(আমি এই সময়ই দেখি :P)। এই ১-২ সেকেন্ডে যার Thumbnail যত ভালো হয় তত ভিউ পড়ে। তাই Thumbnail যত ভালো হবে ভিউ তত বেশি পড়বে। Thumbnail বানাতে Adobe Photoshop এর সাহায্য নিতে পারেন।

Secret Tips

এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, “রাঙ্কিং এ তো সবার শুরুতে First Viewers পেতে হয়। এই First Viewers পাব কোথা থেকে? শত SEO করেও তো পারছি না।” এর জন্য আপনাদের জন্য বিশেষ Tips। এটি হচ্ছে “COMMENTS”। অন্য একই টপিক রিলেটেড ভিডিওতে গিয়ে কমেন্ট করুন। কিন্তু আপনার ভিডিও এর লিঙ্ক দিয়ে স্প্যাম কমেন্ট নয়। মানসম্মত কমেন্ট লিখুন। যেমন Nice, Awesome, I like this video, Thank u for the tips. একটি মান সম্মত উদাহরণ এমন হতে পারে, Your video is really helpful. Hope my  videos can also help people like that.  কিন্ত এমনি যে লিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। অনেকেই এমন করতে গিয়ে স্প্যাম কমেন্ট করে ফেলে। তার থেকে শুধু “Very helpful, thanks” লিখে দেয়াটাই ভালো।
এর ফলে যখন ঐ ভিডিও যখন কোন মানুষ দেখতে যাবে, তখন আপনার চ্যানেলের কমেন্ট দেখবে। অফিশিয়াল নাম এবং Profile Picture তাকে ঐ চ্যানেলে কি আছে তা দেখতে উৎসাহিত করবে। এতে আপনার নিজের বিনোদনও হবে আর কাজও হবে

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ভিডিও এর মানের উপর আর কোন ঔষুধ নেই। ভিডিও এর মান ভালো হলে একবার Top 20 ranking এ আসতে পারলে ইনশাল্লাহ উপরে উঠতে আপনাকে কেউ থামাতে পারবে না।

লেখাটি প্রথম প্রকাশ হয়েছে >>http://bn.rubelsbs.com/archives/202

Wednesday, 21 October 2015

অন পেজ অপটিমাইজেশন কি কেন কিভাবে, কনটেন্ট, মেটা ট্যাগ, টাইটেল ট্যাগ, H1 ট্যাগ ইত্যাদির ব্যবহার।


অন পেজ অপটিমাইজেশন কি কেন কিভাবে, কনটেন্ট, মেটা ট্যাগ, টাইটেল ট্যাগ, H1 ট্যাগ ইত্যাদির ব্যবহার।
========================================================
অন পেজ অপটিমাইজেশন কি?
প্রথমেই বলে রাখি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ২ প্রকার, ১. অন পেজ অপটিমাইজেশন আর ২. অফ পেজ অপটিমাইজেশন।
অনপেজ অপটিমাইজেশন হল একটি ওয়েবসাইট এর এর মধ্যে যে এসইও করা হয় সেটা। অর্থাৎ একটি ওয়েব সাইটকে যে কোন সার্চ ইঞ্জিনের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য যে অপটিমাইজেশন করা হয় সেটাই অনপেজ অপটিমাইজেশন বা অনপেজ এসইও বলা হয়।
অন-পেজ অপটিমাইজেশন কথাটি দেখলেই বোঝা যায় যে ওয়েব পেজের মধ্যে যে সকল অপটিমাইজেশন করা হয় তাকেই অন-পেজ অপটিমাইজেশন বলা হয়।
আমরা একটু গভীর ভাবে বিষয়টিকে চিন্তা করার চেষ্টা করি।
প্রথমে অমাদের ভাবতে হবে আমরা ওয়েব পেজে কি কি কাজ করে থাকি। সাধারন ভাবে আপনার উত্তর হতে পারে লেখা লেখি করি, ছবি বসাই, গান আপলোড করি ফ্লাশ মিডিয়া বসাই ইত্যাদি। প্রায় ৭০% নতুন ওয়েব ডিজাইনাররা এসব নিয়েই ব্যস্ত থাকে।কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে এসব বিষয় গুলো প্রধানত প্রধান্য পায় না।এসকল বিষয়কে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযোগী করাই হল অন-পেজ অপটিমাইজেশন।ওয়েব পেজে বিভিন্ন ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করা, সুন্দর করে কনটেন্ট লেখার কলাকৌশল, লিংকের ব্যবহার ,ইত্যাদি করে অনপেজ অপটিমাইজেশন করা হয়।
কি কি জানতে হবে আপনাকে অনপেজ এসইও শিখতে গেলে?
অন পেজ অপটিমাইজেশন করতে গেলে আপনার বেশি কিছু বিষয়ে ধারনা থাকতে হবে। তা না হলে আপনি ঠিকমতো কাজ করতে পারবেন না। যেমনঃ
সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ধারনা
ওয়েবসাইট সম্পর্কে ধারনা
HTML এর সম্পর্কে ধারনা
আসুন এবার কি কি বিষয় অনপেজ অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে ভুমিকা রাখে তা নিয়ে আলোচনা করি।
ওয়েব কনটেন্ট হল সেরাঃ
কনটেন্ট অর্থ হল আপনার লেখা, আপনার ওয়েবসাইটে আপনি যা লিখেন সেটাই হল কনটেন্ট। আর এই কনটেন্টই হল অন পেজ অপটিমাইজেশন এর মূল বিষয়বস্তু।
সার্চ র্যাং কিং এ প্রথম অবস্থানে থাকার জন্য যে কয়েকটি শর্ত রয়েছে তার মধ্যে কনটেন্ট এর অবস্থাই প্রথম সারিতে। ভাল মানের কনটেন্ট ছাড়া এখন ওয়েবসাইট এর র্যংতকিং এর কথা চিন্তাই করা যায় না। কারণ এই গুগল পাণ্ডা ও পেঙ্গুইন আপডেট এরপর ব্যাকলিংক বিল্ডিং অনেকাংশেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে আর বেরেছে ভাল মানের কন্টেন্ট এর মুল্য। ভাল মানের কনটেন্ট বিহীন ওয়েবসাইট র্যাংছক আপ করান এখনকার দিনে খুবই কষ্টসাধ্য। এখন আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনার ওয়েব সাইটে ভাল মানের কনটেন্ট রয়েছে বা ভাল মানের কনটেন্ট এর বৈশিষ্ট্য গুলো কি। আসুন দেখা যাক ভাল মানের কনটেন্ট এর বৈশিষ্ট্য গুলো কি কি ।
ভালো কনটেন্ট এ সব সময় চাহিদা পূরণ হয়ঃ
ভালো মানের কনটেন্ট হল সেই কনটেন্ট যাতে একজন ভিজিটর তার কাংখিত বিষয়বস্তু খুজে পায়। যেমন আপনার ওয়েবসাইট যদি “কিভাবে অনপেজ অপটিমাইজেশন করাবেন” এই ধরনের হয়ে থাকে এবং আপনার কনটেন্ট যদি হয় “অফ পেজ অপটিমাইজেশন” নিয়ে তাহলে কিন্তু সেই ভিজিটর এর কাংখিত চাহিদা মোটেও পূরণ হল না। অতএব এই ধরনের কনটেন্ট এর কোন মূল্য নেই সার্চ ইঞ্জিনের কাছে। তাছাড়া আপনি কখনই ভালো ভিজিটর ও পাবেন না। যারাও প্রথমে আপনার সাইট ভিজিট করবে ২য় বার আর আপনার সাইটের দিকে ফিরেও তাকাবে না।
লিংক যুক্ত কনটেন্টঃ
যেই কনটেন্ট এর মধ্যে প্রচুর পরিমানে লিংকিং করা থাকে সে সব কনটেন্ট গুলকেও ভালো মানের কনটেন্ট হিসাবে ধরা হয়। উদাহারন হিসাবে আপনার উইকিপিডিয়ার কথা বলতে পারি। আপনার ওয়েবসাইট এ যত বেশি ইন্টারনাল লিংকিং করা থাকবে তত বেশি ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে আর সাথে সার্চ ফ্রেন্ডলি তো বটেই।
বেশি করে ইন্টারনাল লিংকিং করা থাকলে একজন ভিজিটর খুব সহজেই অন্য কনটেন্ট এ ভিজিট করতে পারে এবং এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের এর গ্রহণযোগ্যতাও অনেকাংশে বেড়ে যায়। অন্য দিকে সার্চ ইঞ্জিন গুলো সবসময় চায় আপনার সাইটের অন্য পেজ গুলকে খুজে বের করে ইনডেক্স করতে। আর তারা যখন একটি কনটেন্ট এর মধ্যে আর কয়েকটি কনটেন্ট এর লিংক খুজে পায় তখন তারা অন্য পেজ গুলতে খুব সহজেই ভিজিট করে ক্রাওলিং করতে পারে। এতে করে আপনার আর্টিকেল ও সার্চ ফ্রেন্ডলি হয়ে যাবে।
ছবি ও ভিডিও যুক্ত কনটেন্টঃ
আপনার ওয়েব সাইটের মধ্যে যদি সুন্দর সুন্দর ছবি দিয়ে পূর্ণ থাকে তাহলে সেটাকেও আমরা ভালো মানের একটি কনটেন্ট হিসাবে ধরতে পারি। তবে তা অবশ্যই হতে হবে আপনার বিষয়বস্তু রিলেটেড। তাছাড়া বিষয়বস্তু অনুযায়ী একটি আর্টিকেল এ ভিডিও থাকলে তা ভিজিটর এর কাছে আর বেশি আকর্ষণীয় করে তুলে এবং ভালো মানের কনটেন্ট হিসাবে প্রাধান্য পায়।
একটি ভালো মানের কনটেন্ট এর উদাহারনঃ
তাহলে আমাদের উপরের লেখা থেকে বুঝতে পারলাম যে ভালো মানের কনটেন্ট হল সেই ধরনের কনটেন্ট যা একজন ইউজার এর কাছে আকর্ষণীয় এবং সার্চ ইঞ্জিন খুব সহজেই ভিজিট করতে পারে। আসুন এবার দেখি একটি কনটেন্ট কিভাবে আপনি সাজাবেন। যাতে একজন কনটেন্ট দেখেও খুশি হয় এবং সাথে সাথে সার্চ ইঞ্জিন ও সহজেই আপনার কনটেন্ট কে রিড করতে পারে।
মেটা ট্যাগ কি কেন কিভাবে?
মেটা ট্যাগ হল HTML এর এমন কিছু ট্যাগ যে গুলো আপনার ওয়েব সাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলোকে সার্চ ইন্জিনের কাছে প্রকাশ করে থাকে।এসকল ট্যাগের মধ্যকার লেখা গুলো ব্রাউজারে প্রকাশ পায় না (টাইটেল ট্যাগ বাদে). কিন্তু এই ট্যাগ ব্যবহারের ফলে সার্চ ইন্জিন বা অন্য ওয়েব ডেভলপাররা জানতে পারে ওয়েব সাইটের লেখক ,ওয়েব সাইট তৈরীর তারিখ, শেষ আপডেট করার সময় ইত্যাদি। তবে সকল ট্যাগ গুলো SEO তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা টাইটেলে,কী ওয়ার্ড,Description ট্যাগ গুলো। এই ৩টি ট্যাগ SEO জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ মূলত আমরা এই তিনটি বিষয় নিয়েই আলোচনা করব।
মেটা ট্যাগ ব্যবহারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
এতোক্ষণ ধরে মেটা ট্যাগ নিয়ে আমি যা বললাম তাতে হয়তো মনে আসতে পারে মেটা ট্যাগের প্রয়োজনীয়তা সমন্ধে। আসুন জেনে নিই কি জন্য মেটা ট্যাগের গুলো এতটা গুরুত্বপূর্ণ SEO এর জন্য।
মেটা ট্যাগ ২টি কারণের জন্য SEO তে গুরুত্বর্পর্ণ বিষয় হয়।
১. মেটা ট্যাগ SERPs (Search Engine Result Page) সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টের পেজে সাইটের তথ্য সরবারাহ করতে সাহায্যে করে।
২. মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনার ওয়েব সাইটকে SEO তে ভাল স্থানে রাখার পাশাপাশি সাইটের অন্যান্য অংশ বিভিন্ন ভিজিটরদের কাছে প্রকাশ পায়।
এবার আসি মেটা ট্যাগের বর্ণনায়।
টাইটেল ট্যাগের ব্যবহার
টাইটেল ট্যাগ হল একটি HTML এলিমেন্টস বা ট্যাগ। এটি মুলত একটি পেজ এর টাইটেলকে ব্রাউজার এ দেখানর জন্য ব্যবহার করা হয়।
ওয়েব পেজ এর ইউআরএল (URL)
অন পেজ অপটিমাইজেশনে ইউআরএল (URL)একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভালো ইউআরএল না হলে রেংকিং পাওয়া অনেক দুষ্কর যদি না আপনার ওয়েবসাইট অথোরিটি সাইট না হয়।
তাই লিংক স্ট্রাকচার সবসময় এসইও বান্ধব হতে হবে। ওয়েবসাইট এর লিংক হতে পারে abc.com/nedf48718?p=5000 বা abc.com/how-to-get-a-free-seo-tips.html। আচ্ছা বলুনতো কোনটি আপনার কাছে সবচেয়ে সহজবোধ্য মনে হচ্ছে? ঠিক তাই ২য় টিই আপনার কাছে সহজবোধ্য মনে হওয়ার কথা। করণ আপনি ঐ লিংক দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে ঐ পেজের মধ্যে কি আছে। তাই আপনার মত সার্চ ইন্জিনদের কাছে ও ২য় লিংকটিই সহজবোধ্য মনে হবে। তাই আপনি যখন কোন পেজ বা ফাইলের নামকরণ করবেন তখন অবশ্যই সেটা অর্থপূর্ণ বা কী-ওয়ার্ড সমৃদ্ধ নাম ব্যবহার করবেন।
দেখুন নিচের ছবিতে top 10 tips seo লিখে সার্চ দিলে যে যে লিংক গুলো আসে তাদের সবার পেজে লিংকে কিন্তু ঐ কী-ওয়ার্ড সমৃদ্ধ নাম ব্যবহার করেছে।
আসুন দেখে নেই এর কিছু টিপস
১. সাইটের লিংকের নামে আপনার টার্গেটকৃত কী-ওয়ার্ডটি রাখুন।ধরুন আপনি “free seo tips for my new website” এই ধরনের কী-ওয়ার্ডকে টার্গেট করে পেজটি বানলেন তাহলে আপনি আপনার পেজের নাম রাখতে পারেন “how-can-get-free-seo-tips-for-my new website.html
২. পেজের লিংকে নাম দেয়ার সময় হাইফেন ( – ) ব্যবহার করুন।_, !, (), @,$ এই ধরনের অক্ষর ব্যবহার করবেন না।কারন সার্চ ইন্জিন এই ধরনের অক্ষর ইনডেক্স করে না।
৩. ফাইল বা পেজের নাম দেয়ার সময় a,in,of,to, এমন অক্ষর গুলো ব্যবহার করবেন না।কারণ এগুলোকে সার্চ ইন্জিন “Skipping Word” বলে
৪. ওয়েব পেজের এক্সটেইনশন .html ,.htm .php রাখা ভালো।
৫. আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করে তাহলে Permalinks থেকে লিংক স্ট্রাকচার ডিফল্ট থেকে Custom এ গিয়ে %category%/%postname%/ বসিয়ে দিন। তাহলে আপনার লিংক স্ট্রাকচার চেঞ্জ হয়ে যাবে।
Description ট্যাগের ব্যবহার
Description ট্যাগটি ব্যবহার করা হয় আপনার সাইটের বা ওয়েব পেজের একটা ছোট Description বা বর্ণনা দেবার জন্য।আমরা যেমন একটা বিশদ বিষয়ের অনেক সময় সংক্ষেপে প্রকাশ করি তেমনি Description ট্যাগের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে আমরা আমাদের ওয়েব পেজের একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হয়। আপনি যে ড্রেস্ক্রিপশন ্দিবেন আপনার ওয়েব পেজ এ সেটি SERPs পেজে সার্চ ইঞ্জিন গুলো প্রকাশ করে।
কিছু টিপস এর মাধ্যমে আপনি সুন্দর একটা Description আপনার সাইটের জন্য লিখতে পারবেন যেমন
১.আপনার Description টি ১৬০ অক্ষরের মধ্যে রাখুন। কেননা প্রায় সকল সার্চ ইঞ্জিন ১৬০ অক্ষরের বেশী তাদের SERPs পেজে প্রকাশ করে না।
২. এই ট্যাগে বানান যেন ভুল যায় না সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৩. ট্যাগটিতে আপনার বাছাইকৃত কী-ওয়ার্ড লিখুন। তবে খেয়াল রাখবেন কোন কী-ওয়ার্ড বা বিষয় যেমন ৩ বারের বেশি ব্যবহার না করা হয়।
৪. সব পেজের Description ট্যাগটি যাতে একই না হয় সেইদিকে খেয়াল রাখবেন।
তাছাড়া টাইটেলে যেসকল টিপস দেয়া আছে তা আপনি Description ট্যাগে ব্যবহার করতে পারেন
কী-ওয়ার্ড ট্যাগের ব্যবহার
কী-ওয়ার্ড ট্যাগ হল আপনার সাইটে যেসকল কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করেন তার একটা সূচিপত্র হিসাবে কাজ করে থাকে। ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি।
এর মধ্যে
<meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” />
এই ট্যাগটি “মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ” নামে পরিচিত।এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন।এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ও ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন।
ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা।আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি ।এসব ট্যাগের ব্যবহার জানতে এই টিউনটি আপনারা দেখতে পারেন।তবে মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম বা টিপস মেনে চলা উচিত।ড়তে করে আপনি আরো ভালো ফলাফল পেতে পারেন।
যেমন:
১. আপনর সাইটের যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।
২. আপনার সাইটে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন সর্বোচ্চ ১ বার।
৩. মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একটি কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন,যেমন প্রথমে যদি লেখেন Download hindi movie hindi movie তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে download hindi movie বা আরএকটু পরিবর্তন করে download hindi movie online করে নিতে পারেন।
৪. প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা(,) ব্যবহার করুন.
৫. অযথা বেশি কী-ওয়ার্ড দিয়ে আপনার মেটা ট্যাগ জ্যাম করে ফেলবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৬. বেশ কিছুদিন আগেও কী-ওয়ার্ডের ট্যাগ তেমন কোন কাজে আসতো না আবার অনেকে বলেছিল যে এই ট্যাগ এখন আর কাজ করে না। কিন্তু ইদানিং গুগল নিজেও এই ট্যাগকে গুরুত্ব সহকারে দেখে। তাই এই কী-ওয়ার্ড ট্যাগ কে বাদ না দেয়াই শ্রেয়।
সাইটে <h >থেকে<h2>ট্যাগ ব্যবহার
আপনার সাইটের পেজ গুলোতে কোন শিরোনাম ব্যবহার করলে তা অবশ্যই h1,h2,h3,h4,h5,h6 ট্যাগ গুলোর মধ্যে ব্যবহার করুন। কারণ সার্চ ইন্জিন গুলো আপনার ওয়েব সাইটের Bold ,Italic Underine এই ট্যাগ গুলো থেকে h1,h2 তাদের এললগারিদমে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।মূলত সার্চ ইঞ্জিন এগুলকে একটি পেজ এর টাইটেল বা শিরোনাম হিসাবে ধরে। আর যদি আপনি গুগল এডেসেন্স ব্যবহার করেন তাহলে ইন্জিন <h1 >থেকে <h3 > ট্যাগ গুলোর মধ্যে যে কী ওয়ার্ড গুগল থাকে ওগুলো থেকে এড দেয়ার চেষ্টা করে। কোন সার্চ ইন্জিন যখন কোন পেজ ক্রাউলিং করে তখন সে যদি <h1 >থেকে <h3> এর মধ্যে কোন ট্যাগ খুজে পায় তাহলে সে সেটিকে ঐ কন্টেট বা পেজ এর হেডলাইন বা শিরোনাম হিসাবে গ্রহণ করে। তাই অন-পেজ অপটিমাইজেশনে এই ট্যাগ গুলো ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিনের জন্য আপনার সাইট অনেক অংশেই তৈরী হয়ে যাবে।আসুন দেখে আসি কিভাবে ব্যবহার করবেন
১. কোন লেখা শুরু করার প্রথমেই <h1>বা <h2>ট্যাগ ব্যবহার করুন শিরোনাম হিসাবে।
২. এই ট্যাগের মধ্যে আপনি আপনার কাংখিত কী-ওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন।
৩. যথা সম্ভব ৬০ অক্ষরের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করুন।
৪. একই কী-ওয়ার্ড বার বার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।না হলে সার্চ ইন্জিন গুলো এটিকে স্প্যামিং হিসাবে ধরে নিবে।
• ৫. লেখার মাঝখানে মাঝখানে < h2>বা অন্য গুলো উপ শিরোনাম হিসাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।এতে করে আপনার সাইটটি অনেকটা ন্যাচারেল মনে হবে।আর প্রতিটি সার্চ ইন্জিনই সাইটের নমনীয়তা বা ন্যাচারেল ভাবটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে
ইমেজে ব্যবহার করুন ALT ট্যাগঃ
আমরা যখন কোন কনটেন্ট লিখি তখন সেই কনটেন্ট এর মধ্যে অনেক ইমেজ ব্যবহার করি। কিন্তু গুগলের কাছে সাধারন ভাবে ইমেজ এর কোন মূল্য নেই। তখনি আছে যখন আপনি ওই ইমেজকেও সার্চ এর জন্য অপ্তিমাইজ করবেন। আমরা অনেকেই শুধু ওয়েব সার্চ নিয়েই পড়ে থাকি কিন্তু গুগলের “ইমেজ সার্চ” নিয়ে অনেকেই ভাবি না। কিন্তু সারা বিশ্বের সব সার্চের প্রায় ২০% সার্চ হয় কিন্তু ইমেজ। তাই আপনি যদি এই বিষয়টি বাদ দেন তাহলে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফল পেয়ে যাবে। তাই আপনি যদি আপনার সাইট এ কোন ইমেজ ব্যাবহার করে থাকনে তাহলে অবশ্যই ALT tagটি ব্যাবহার করুন। এতে করে সার্চ ইঞ্জিন স্পাইডারটি আপনার ইমেজ এর লিঙ্কটি তার ডাটাবেজ এ নিয়ে নিবে। পরর্বতীতে যদি কেউ আপানার ইমেজ এর মত ইমেজ সার্চ করে তাহলে আপনার ইমেজটি সার্চ এর রেজাল্ট এ চলে আসবে। এখান থেকেও আপানার সাইট কিছু ভিজিটর কাছে পরিচিতি পাবে
আপনি যখন কোন ইমেজ ওয়েব সাইট এ এড করবে তখন ইমেজ এর কোডের পাশে একটা ছোট অংশ জুড়ে দিতে হবে। যেমন যদি আপনার ইমেজ এর কোড এমন হয়<img src=http://link> তাহলে তার পাশে ঠিক এভাবে <img src=http://link alt=”your keyword”/> ALT ট্যাগ বসালেই গুগল বুঝতে পারবে যে আপনি এই ইমেজটিকে ব্যবহার করেছেন সার্চ ইঞ্জিনের জন্য।
মনে করুন আপনি একটি ইমেজকে mobile কী ওয়ার্ড এ ইমেজ সার্চ এ আনতে চাচ্ছেন। তাহলে mobile লেখাটি আপনি আপনার ALT ট্যাগ এর মধ্যে দিয়ে দিন।এখন আপনার ইমেজ যদি ইঊনিক হয় তাহলে গুগল ইমেজ এ যদি কেউ mobile লেখে সার্চ দেয় তাহলে গুগল কি দেখাবে । দেখাবে হল যেই ইমেজ এ অল্টার ট্যাগ বা Keyword mobile ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো। আর এর মধ্যে যদি গুগলের কাছে আপনার ইমেজ ভালো লেগে যায় তাহলে আপনি ও চলে আসতে পারেন র্যাং কিং এ।

Saturday, 10 October 2015

যে কারণে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা হয়ঃ

যে কারণে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা হয়ঃ
==================================
একটি ওয়েব সাইট এর ভিজিটর বাড়ানোর মূলে রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব । সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (SEO) উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে যে সব উদ্দেশ্য প্রধান সে গুলো হচ্ছে…
১। SEO করার মাধ্যমে সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
২। ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
৩। SEO করার মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পোঁছে দিতে পারবেন।
৪। অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------
১.অন পেজ (ওয়েবসাইট এর ভিতরেই করা হয়)
====================================
যে সব কাজ অন পেজ SEO তে করার হয় নিম্নে আপনাদের জন্য তুলে ধরলাম।
1.Site Analysis
2. Keyword research (as per theme of the website)
3. Competition Research
4. Web Pages Title
5. Meta Description
6. Meta Keywords
7. Meta Robots
8. Creating sitemaps and Submission
9. Links – Verify Link structure, Alt tags, Text link words and titles
10. Deep Linking
11.Check keyword density of each major section on the page
12. Manual submission to all the major Search Engines
13. 301 re_directs (canonical issues
14. URL Optimization
15. HTML Formatting
16.Image Optimization (file name etc.)
17. Site map.XML
২.অফ পেজঃ (ওয়েবসাইট এর বাহিরের করা হয়)।
===================================
যে সব কাজ অফ পেজ SEO তে করার হয় নিম্নে আপনাদের জন্য তুলে ধরলাম।
1) Directory submission
2) Social bookmarking
3) Press releases
4) Blog/forum commenting
5) Blog submission
6) Article submission
7) Creating link Wheel
8) Local SEO Specialist.
9) Video Optimization
10) Link Building
11) Web 2.0 Promotion & Social Networking
12) Social media – Face book Twitter etc.
13) Forum Posting
14) YouTube uploading
15) PPC & Ad words Specialist
16) Ad Posting
17) Guest Blog Posting
18) Link wheel

On Page SEO Or Off Page SEO:

On Page SEO Or Off Page SEO:Which comes First?
Both are equally important, but it’s vital that your company goes in the correct
order. On page SEO should be the first step ; followed by off page SEO.
On-Page SEO:
This refers to anything you can do to improve your own web site like:Meta-tags, content, navigation, cleaning up errors, internal linking, alt tags, heading tags, site maps etc.
Off Page SEO:
This refers to what can be done outside of a web site to maximize its performance for specific keywords/phrases by acquiring back links.

SEO কেন প্রয়োজন (Why Need SEO?):


SEO কেন প্রয়োজন (Why Need SEO?):
---------------------------------------------------
SEO হচ্ছে একটি Technology যেটি আপনার ওয়েব সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের একটি ভাল অবস্থায় নিয়ে যেতে সাহায্য করে। একটি সাইটের Internal এবং External উভয় বিষয়গুলো চিন্তা করা উচিৎ। কারন একটি সাইট ইঞ্জিনে ভাল অবস্থায় যাওয়ার জন্য এগুলোও কাজ করে।
---------------------------------------------------------------------------
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এত গুরুত্বপূর্ণ হওয়্যার কারন কি?
অনেক সময় সার্চ রেজাল্ট আপনার ওয়েবসাইটগুলোর ৯ ও ১০ নং পেইজে শো করে তাই অনেকে ওটা দেখতে আগ্রহী নয়। আপনার পেইজটি ১ থেকে ৩ নং পেইজে রাখা ভাল। ১ম পেইজে বেশি ট্রাফিক থাকে আর সেখান থেকে বেশি রেভিনিউ আসে আর এটাই হচ্ছে SEO- এর মূল লক্ষ্য।

Short & Long Tail Key (STK AND LTK) :

Short & Long Tail Key (STK AND LTK) :

 Try using one short tail keyword as main keyword and use many relevant long tail keywords as the secondary keywords for the post.
Your On-page SEO will be easier for you. If you are using the long tail keywords.
How?
You can fit 1-2 long tail keywords very naturally in your post content. Whereas more usage of short tail keywords is considered as keyword stuffing and Google don’t like it.
learn-seo-basics-long-tail1 (1)
মনে করেন আপনি একটি পোস্ট লিখছেন এবং এটির কী-ওয়ার্ড দিলেন “Importance of Blogging” এবং আপনার টার্গেট হল এই কী-ওয়ার্ড এর কম্পিটেটরদের আপনার বিড করা তাহলে আপনার এই ধরনের কী-ওয়ার্ড নিয়ে কম্পিটেটরদের বিড করা অনেক কঠিন হবে । আবার আপনি যদি “importance of blogging in 2013” এই ধরনের লং টেইল কী-ওয়ার্ড ইউস করেন তাহলে আপনি অনেক সহজেই আপনার কপিটিটরদের বিদ করতে পারবেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন লং ট্রাইল কী-ওয়ার্ডের গুরুত্ত কেমন ?

Keyword

কী-ওয়ার্ড কী? কী-ওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার ও বাছাইকরণ ও বিশ্লেষন। ২য় ক্লাশ
প্রথমেই কী-ওয়ার্ড কী ? (পাশাপাশি লিঙ্ক দেয়া আছে টা ক্লিক করে দেখে নিন)
======================================================
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কী-ওয়ার্ড একটা গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়। মূলত কী-ওয়ার্ডকে দুই ভাবে বলা যেতে পারে। ১ম টি হচ্ছে যে সকল শব্দসমষ্টিকে কী-ওয়ার্ড নিয়ে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটি গঠন করেন তাকে বলে। আর ২য় টি হচ্ছে যে সকল মূলশব্দকে আপনি SEO করার জন্য বাছাই করেছেন তাকে কী-ওয়ার্ড।তবে আমার মত ২য় টাই SEO এর জন্য যথার্থ।কেননা SEO এর ভাষায় কী-ওয়ার্ড হল যে শব্দকে নিয়ে আপনি কাজ করবেন।
একটা উদাহারণ দেয়া যাক।যেমন আপনার একটা মুভি ডাউনলোডের সাইট আছে।সেক্ষেত্রে আপনার সাইটের কী-ওয়াড Download movie,Free download movie,movie watch and download এমন হওয়াই স্বভাবিক।আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করার জন্য সার্চ বক্সে লিখি তখন সার্চ ইন্জিন সে শব্দের উপর ভিত্তি করেই ফলাফল প্রকাশ করে।আর আপনার প্রদত্ত শব্দটাই হয় কী-ওয়ার্ড। যেমন আপনি “bangladesh newspaper” লিখে সার্চ করলেন।এখানে “bangladesh newspaper” হল আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড।এতে সার্চ ইন্জিন আপনাকে অনেক গুলো সাইটের ফলাফল দেখাবে ।এই ফলাফল দেখানোর মানে হল সার্চ ইন্জিন আপনার প্রদত্ত সার্চ কী-ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনাকে ফলাফল দেখাচ্ছে।এই ফলাফলের তালিকাই যেসকল সাইট আছে তারা সবাই bangladesh newspaper কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইটটি বানিয়েছে।তাহলে বুঝাই যায় যে কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
কিভাবে ব্যবহার করবেন কী-ওয়ার্ড ?
কী-ওয়ার্ড সম্পর্কে আমরা মোটামুটি একটা ধারণা পেয়েছি। এখন দেখা যাক কিভাবে এই কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। কী-ওয়ার্ড আপনি ২ ভাবে ব্যবহার করতে পারেন।যেমন
মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেল এর মাধ্যমে।
আসুন নিচে থেকে আরো বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
১. মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি। এর মধ্যে
< meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” />
এই ট্যাগটি “মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ” নামে পরিচিত।এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন। এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ও ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন।
ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা।আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি । তবে মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম বা টিপস মেনে চলা উচিত। তাতে করে আপনি আরো ভালো ফলাফল পেতে পারেন।যেমন:
আপনার সাইটের যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।
আপনার সাইটে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন সর্বোচ্চ ১ বার।
মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একটি কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন,যেমন প্রথমে যদি লেখেন Download hindi movie, hindi movie তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে download hindi movie বা আরএকটু পরিবর্তন করে download hindi movie online, hindi movie download করে নিতে পারেন।
কী-ওয়ার্ড এর বানান যেন কোনমতেই ভুল না যায় সেদিকে কড়া নজরদারি রাখতে হবে। যেমন বুশ লাদেনকে নজরদাড়িতে রেখেছিল প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা(,) ব্যবহার করুন এবং এর পর একটা স্পেস দিয়ে পরবর্তী কী-ওয়ার্ড দিবেন।
তারপর আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলো অন্যান ট্যাগে ব্যবহার করুন। যেসকল ট্যাগে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন সেগুলো হলো:
Description- Meta Tag
Titel – Meta Tag
ALT- Meta Tag
Description- Meta Tag কি ও কিভাবে কাজ করেঃ
--------------------------------------------------------------
এই মেটা ট্যাগটিও ওয়েব সাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ন। এটি সার্চ ইন্জিন এ আপনার সাইটের মুল বিষয়গুলোকে তুলে ধরে। মুলত আপনার সাইটে কি আছে তা বুঝানোর জন্য এ ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়। Meta Tag টি এমন-
< meta name="description" content="A blurb to describe the content of the page appears here"/>
author- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনি ভিজিটরদের জানাতে পারেন সাইটটি কে করেছে বা লিখেছে। Meta Tag টি এমন
<meta name="author" content="Sojib Rahman" />
Revisit-After- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগ টি ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট একটি নিদিষ্ট্ সময় অন্তর অন্তর আপনার সাইট ভিজিট করে ইনডেক্স করবে।
<meta name="revisit" content="15 days"/>
যেমন এই ট্যাগটি ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট আপনার সাইটটি ১৫ দিন পর পর রিভিজিট করবে। আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী সময় পরির্বতন করে দিতে পারেন।
Refresh- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগটিও বেশ প্রয়োজনীয়। যারা প্রতি মিনিটে মিনিটে সাইট আপডেট করে তারা এই মেটা ট্যাগটি থেকে উপকার পাবে। ভিজিটররা এরকম সাইট বার বার রিফ্রেশ করতে বিরক্ত বোধ করে। তাই এই ট্যাগের মাধ্যমে আপনিই অটো রিফ্রেশ এর সময় বেধে দিতে পারেন। এই মেটা ট্যাগ ব্যবহার করলে একটা নিদির্ষ্ট সময় পর পর আপনার সাইট অটো রিফ্রেশ হবে
<meta http-equiv="refresh" content="600">
এ ট্যাগটি সাইটে যোগ করার ফলে ৬০০ সেকেন্ড পর পর মানে ৫ মিনিট পর পর সাইট অটোরিফ্রেশ হবে।
Robots- Meta Tag:
------------------------
এই মেটা ট্যাগটি সার্চ ইন্জিন এর জন্য অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এই ট্যাগের মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন এর রোবট কে জানতে পারেন আপনার সাইটকে সে ইনডেক্স করবে কি করবে না। যদি আপনি এ ট্যাগটি
<META NAME="ROBOTS" CONTENT="INDEX,FOLLOW">
ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে আপনার সাইট তারা ইনডেক্স করতে পারে।আর যদি এ ট্যাগটি
<META NAME="ROBOTS" CONTENT="NOINDEX, NOFOLLOW">
ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে আপনি আপনার সাইটকে ইনডেক্স না করার জন্য বলছেন।
robots এর আর কিছু প্রয়োজনীয় মেটা ট্যাগ রয়েছে। যেমন:
ARCHIVE- Meta Tag
এ ট্যাগের মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিনে আপনার সকল ডাটা আর্কাইভ আকারে রাখতে পারেন।আর্কাইভ আকারে রাখতে চাইলে এই ট্যাগটি <meta name=”robots” content=”ARCHIVE” /> আর তা যদি না চান তাহলে ><meta name=”robots” content=”NOARCHIVE” /> ট্যাগটি ব্যবহার করুন।
ODP/YDIR- Meta Tag
ODP মানে হল DMOZ ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট। যখন একটি সাইট থেকে গুগল সার্চ ইন্জিন এর রোবট কোন description ট্যাগ পায়না তখন তারা DMOZ এর সাহায়্য নেয়। তারা DMOZ থেকে ত্য নিয়ে সাইটের description দেয়। আপনি যদি মনে করেন গুগলকে এ ধরনের কাজ হতে বিরত রাখতে তাহলে <meta name=”robots” content=”NOODP” />
এই ট্যাগটি দিতে পারেন।আর যদি মনে করেন তারা কাজটি করুক তাহলে <meta name=”robots” content=”ODP” /> দিয়ে দিন।
গুগলে মত ইয়াহু ও এ কাজ করে থাকে।তবে এক্ষেত্রে ইয়াহুর তাদের নিজেস্ব ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট (YDIR) ব্যব হার করে থাকে।তাই ইয়াহুর ক্ষেত্রে
<meta name=”robots” content=”NOYDIR” />
ও <meta name=”robots” content=”YDIR” /> কোড গুলো দিতে পারেন।
ইন্টারনেটে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিন রয়েছে বিশেষ কিছু সার্চ ইন্জিন এর জন্য আলাদা আলাদা robots মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা হয় যেমন
গুগলের জন্য <meta name="googlebot" content=”index">
ইয়াহুর জন্য <meta name="Slurp" content=”index">
MSN এর জন্য <meta name="msnbot" content=”index">
Language META Tag
এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট টি কোন Language এ লেখা তা জানাতে পারেন। সাধারণত বেশীর ভাগ সাইটে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করা হয়। এই ট্যাগটি এমন
<META HTTP-EQUIV="Content-Language" content="EN">
)))
২.সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলের মাধ্যমেঃ
আমরা অনেক মনে করি যে সার্চ ইন্জিনগুলো কেবল মেটা ট্যাগ নিয়ে সাইট ইনডেক্স করে। অনেক আবার এটাও মনে করেন যে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার না করলে হয়তো সাইট ইনডেক্স হবে না,ভালো ফল পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই তাদের জন্য বলছি মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের জন্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা মানে এই নয় যে সাইট ইনডেক্স হবে না কিংবা সাইট ইনডেক্স হলেও ভালো ফল পাওয়া যাবে না। মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের ক্রাউলিং করার কাজকে অনেক সহজ করে দেয়। যেমন আপনি যদি একটি বই পড়ার সময় বইয়ের সূচিপত্র দেখে কোন তথ্য খোজ করেন তা সহজেই আপনি খুজে পাবেন।আর মেটা কী-ওয়ার্ডটি আপনার সাইটের সূচিপত্রের মত কাজ করে। যেটা থাকলে সার্চ ইন্জিনগুলোর কাজ করতে সুবিধা হয়।
আপনি যখন আপনার সাইটের কোন কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখবেন তখন আপনি যে সকল শব্দ ব্যবহার করবেন তাই হল কী-ওয়ার্ড। তাই আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখুন। এটাই আপনার প্রথম কাজ। তাছাড়া অন্যান টিপস গুলো হলো….
প্রথমে আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলোর একটা খসড়া তালিকা তৈরী করুন। এই খসড়া তালিকায় কী-ওয়ার্ডগুলো আপনার পছন্দ আনুসারে সাজান।
আপনার বিষয় বস্তুর সাথে কোন কী-ওয়ার্ডটি বেশি মানায় সেটা নির্বাচন করুন।
আপনি আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের উপর জোর দিন।
আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি আপনার লেখা কনটেন্ট বা আর্টিকেলের প্রথম ২০০টি শব্দের মধ্যে রাখুন। এটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে অনেক ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
শুধু মাত্র ১ টি কী-ওয়ার্ড নিয়ে পড়ে থাকবেন না। একই ধরণের কী-ওয়ার্ডগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
গুগল সহ অন্যান সার্চ ইন্জিন কিন্তু কনটেন্ট বা আর্টিকেলে দেয়া কী-ওয়ার্ডগুলোর দিকে বেশি নজর দেয়,যা মেটা ট্যাগের চেয়ে অনেক গুন বেশি কি ভাবে?
আসুন দেখে নিইঃ
মনে করুন আপনি গুগল সার্চ ইন্জিনে গিয়ে সার্চ করলেন “download indian movie” লিখে।এর পর যে সাইট গুলো আসবে তার পাশে লেখা “Cached” এ ক্লিক করুন। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
তারপর গুগলের Cached করা সাইটের পাতাটি আপনার সামনে হাজির হবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
সেখানে তারা মার্কিং করে দেখাবে যে সাইটে আপনার দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলো কেমন ভাবে তারা ব্যবহার করেছে।
তো বুঝলেন সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলে আপনি যদি আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড ব্যবহার না করেন তাহলে কেমন ফল আপনি পেতে পারেন।
কেন এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ?
আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কী-ওয়ার্ড তো হল কিন্তু এ আবার বাছাই করবো কেন? আমরা কোন ভালো জিনিস পেতে যেমন বাছাই করি তেমনি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ভালো ফল পেতে সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের তুলনা হয় না।
আমরা অনেক সময় ভলো ফল পাবার জন্য বিভিন্ন হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইট তৈরী করে থাকি। যেমন Download Software,Download Movie,Song,Music,Tips ইত্যাদি। এসব কী-ওয়ার্ড গুলো হাই ট্রাফিক সম্পূর্ণ। এক বার যদি এসব কী-ওয়ার্ডের ১ম পেজে থাকতে পারেন তাহলে কেল্লা ফতে। ভিজিটর নিয়া নো চিন্তা। কিন্তু এমন সব হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ডে আছে প্রচুর প্রতিযোগীতা। ভালো ভালো ওয়েবমাষ্টাররা ও মাথার ঘাম পায়ে ফেলেন এসকল কী-ওয়ার্ড নিয়ে। তবে আমরা যেহেতু প্রথম থেকে শুরু করছি তাই এত বড় বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে মাথা ঘামাবো না। তাই আমাদের বের করতে হবে কিভাবে অন্যান কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। আর এই ভালো ভালো কী-ওয়ার্ড পাওয়ার জন্যই আপনার এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ।
চমৎকার সব কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক ভালো ট্রাফিক। আসুন দেখা যাক কিভাবে আমরা কী-ওয়ার্ড বাছাই করবো।
কী-ওয়ার্ড বাছাই এর সময় আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে গবেষনা করতে হবে। এই টার্মগুলো বিবেচনা করে আপনাকে আপনার সাইট এর জন্য সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে।
কী-ওয়ার্ড রিলিভেন্স (Keyword relevance) -
প্রথমে আপনার বিজনেস/সাইটটি কোন বিষয়বস্তুর উপর তা নির্ধারণ করুন। তারপর ওই বিষয়বস্তুটির Keyword কি সেটা নির্ধারণ করুন। ধরুন আপনার গাড়ীর পার্টস সেলিং (Car parts selling) রিলেটেড। লক্ষ্য করে দেখুন কার (CAR) কিওয়ার্ডটি highest volume keyword । এখন আপনাকে দেখতে হবে কতজন লোক গাড়ীর পার্টস (buy car parts) কিনতে CAR শব্দটি ব্যবহার করছে। এক্ষেত্রে আপনার কিওয়ার্ড কার (Car) হবে না। আপনার কিওয়ার্ড হবে আপনার সাইটের সাথে আরও Specific সম্পর্কযুক্ত। যেমন: BUY CAR PARTS, GETTING YOUR CAR PARTS। আপনার বিজনেস যদি গাড়ীর জানালা (CAR WINDOWS ) রিলেটেড হয় তাহলে আপনি আরও Specific কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। যেমন: buy car window। তখন আপনি সহজেই আপনার গ্রাহকের নিকট পৌছাতে পারবেন এবং গ্রাহকও আপনাকে সহজে খুজে বের করতে পারবে। আপনি হয়তো ভাবছেন এই কিওয়ার্ডটির Search Volume কম। তাই না? search volume কম হলেও Keyword Relevancy এর কারণে আপনার traffic ratio বাড়বে। তাই সারকথা হলো যতটুকু সম্ভব আপনি আপনার ‍ সাইট/বিজনেস এর সাথে Specific সম্পর্কযুক্ত Keyword নির্বাচন করুন।
অর্থাৎ, আপনি আপনার ভিজিটরকে ঠিক কোন বিষয়টির দিকে (অর্থাৎ Keyword) আকৃষ্ট করতে চান কিংবা কোন ভিজিটরদের নিকট আপনি পৌছতে চান যা আপনার ব্যবসা/সাইটের সাথে সম্পর্কিত সেটাই কি-ওয়ার্ড রিলিভেন্সী।
কি-ওয়ার্ড সার্চ ভলিউম (Keyword Search Volume) :
যে পরিমাণ লোক কোনো নিদিষ্ট কিওয়ার্ডে সার্চ দেয় সেটাই ওই Keyword এর Search Volume । ধরুন ১০,০০০ লোক Education কিওয়ার্ডটি দিয়ে সার্চ দেয়। তাহলে ওই ১০,০০০ লোক হলো উক্ত কিওয়ার্ড এর Search Volume। সার্চ ভলিউম একটি একক শব্দের হতে পারে কিংবা একটি শব্দগুচ্ছেও হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটেরও সার্চ ভলিউম হতে পারে। web analytics Tools দিয়ে এই সার্চ ভলিউম পরিমাপ করা হয়। যেমন: Google Keyword tool, Word tracker ইত্যাদি।
উপযুক্ত Keyword নির্বাচন করা ভালো ভিজিটর এর প্রথম শর্ত। High Search volume এর কিওয়ার্ডগুলোতে বেশি traffic পাওয়া যায়। তাই Keyword নির্বাচন করার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে যেন কিওয়ার্ডটির সার্চ ভলিউম ভালো হয়।
এবার আসুন দেখি সার্চ ভলিউম এর রেজাল্টগুলো নিয়ে।
Search volume এর রেজাল্ট ৩ ধরনের হয়:
Broad
Exact
Phrase
আপনি যখন Google Adwords Keyword Tool ব্যবহার করবেন তখন দেখতে পাবেন Left Sidebar এর ছোট্ট একটি বক্স আছে যাতে তিনটি চেকবক্স দেখা যাচ্ছে।
এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম সম্পর্কে তিন ধরনের তথ্য বের করতে পারবেন।
১. (Broad)- উক্ত কি-ওয়ার্ড দিয়ে সামগ্রিকভাবে সার্চ ভলিউম কত
২. শুধুমাত্র (Exact) আপনার কিওয়ার্ড এর শব্দ/শব্দগুলো দিয়ে কি পরিমাণ সার্চ ভলিউম
৩. এবং Phrase এর সাথে Match করা কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে সার্চ ভলিউম কি পরিমাণ।
প্রতিটিতে চেকবক্স এ টিক চিহ্ন বসিয়ে দেখুন একরকম রেজাল্ট দেখাবে আবার Broad এবং Phrase এর চেকবক্স উঠিয়ে দিলে অন্যরকম রেজাল্ট দেখাচ্ছে। এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর বিভিন্ন Search Volume সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।
কি-ওয়ার্ড প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী বিশ্লেষণ: (Keyword Competition & Competitor Analysis)-
Keyword Competition কি? কোনো Keyword কে rank এ নিয়ে আসার বাধাগুলোই মূলত Keyword Competition। Keyword এর জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে উক্ত Keywordটিতে কি পরিমাণ Competition হবে। সার্চ মার্কেটাররা এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে কিছু বিষয় নির্ধারণ করেন। যেমন এই কিওয়ার্ডটি রেঙ্ক এ আনতে কতটুকু শ্রম এবং কি পরিমাণ সময় লাগাতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই সহজে কিওয়ার্ডকে rank এ আনার জন্য তুলনামূলক less competitive keyword গুলো নির্বাচন করা উচিত। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে keyword competitiveness বিবেচনা/নির্ধারণ করা হবে? আর competitive Keyword Analysis এর সাথে কি কি বিষয় জড়িত? keyword competition কে effectively করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো Keyword tool আছে কি?
এখন বিষয় হলো, আপনি ১০ জন Internet Marketer কে সঠিক keyword competition কিভাবে পরিমাপ করা যায় এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করুন। দেখবেন ১০ জন ১০টি ব্যাতিক্রম সমাধান দিয়েছে। কিন্তু competition analyze করার জন্য সাধারণ কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো জানলে আপনি নিজেই ভালো analyzer হয়ে যাবে। আপনার প্রতিযোগীর সাইটগুলা বিবেচনা করলে আপনি আপনার কি-ওয়ার্ড এর কম্পিটিশন আন্দাজ করতে পারবেন।
এগুলো হলো:-
০১। Relevant Content: keyword টি কি কনটেন্ট এর মধ্যে আছে?
০২। Optimized Title : প্রতিযোগীর সাইটে আপনার নির্বাচিত keyword টি কি Title এ ব্যবহার করা হয়েছে?
০৩। Targeted Content: সাইটটিতে কি আপনার কিওয়ার্ডের উপর? নাকি জাস্ট পেজে কিওয়ার্ডটি মেনসন করা হয়েছে?
০৪। Page Links: উক্ত প্রতিযোগীর পেজে কতগুলো লিংক আছে?
০৫। Site Links: Root Domain এর উপর কতগুলো লিংক আছে?
০৬। Authority Links: উক্ত সাইটটিতে কি .edu, .gov, DMOZ, or Yahoo Directory link আছে?
০৭। Google Page Rank: সাইটটির Google Page Rank কত?
০৮। Site Age: Site টি কতদিন আগে তৈরী করা হয়েছে?
০৯। গুগলে কত গুলো লিংক ইনডেক্স আছে ?
১০। উক্ত সাইট গুলোর ব্যাক লিংক কত এবং তারা কি কি ধরনের ওয়েব সাইট থেকে ব্যাক লিংক পেয়েছে?
আর এর জন্য আপনি backlinkwatch.com সাইট এর সাহায্য নিতে পারেন।
১১। উক্ত সাইট গুলোর মধ্যে কতোগুলো সাইটের হোম পেজ এসেছে, অর্থাৎ ঐ কী-ওয়ার্ড যে রেজাল্ট এসেছে ওর মধ্যে কতোগুলো সাইটের মেইন ডোমেইন আছে?
১২। Type of Site: রেঙ্ক এ থাকা বা প্রতিযোগী সাইটটি কি দুর্বল প্রকৃতির সাইট? যেমন: article directories, forums, Yahoo Answers, other Q&A sites, social sites, অথবা অন্য user generated type সাইট, ইত্যাদি ?
উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর যখন উত্তর আপনার জানা হয়ে যাবে তখন আপনি নিজেই Keyword টি কতটুকু Competitive তা বুঝতে পারবেন। তাছাড়া আপনি board search result এবং exact search result ব্যবহার করেও keyword টির competition সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। আপনি গুগলে সার্চ দিয়েই এ সম্পর্কে আরও ধারণা পেতে পারেন। এটাকে কোনো মেথড মনে করবেন না। কারণ এটি সব categories তে কাজ নাও করতে পারে।
আপনি কিওয়ার্ডটি গুগলে সার্চ দেন?
প্রথম ১০ টি সাইটকে বিশ্লেষণ করেন। যদি দেখে সবগুলোর মোট পেজরেঙ্ক ২৫ এবং exact match index count যদি 10K এর নীচে হয় তখন বুঝবেন এখানে minimal link building করে গুগুল সার্চে প্রথম চারের ভেতর পৌছা সম্ভব।
যদি মোট পেজরেঙ্ক ৩৫ এবং index count যদি 60K এর নীচে হয় তাহলে আপনাকে TOP-4 এ পৌছতে ২ কিংবা ৩ মাস সময় লাগবে। এক্ষেত্রে index count যদি 100K এর নীচে হয় তবে দ্বিগুণ সময় লাগবে পারে।
আর যদি দেখেন পেজরেঙ্ক ৩৫ এর উপরে তখন index count যাই হোক না কেন বুঝতে হবে এটা inaccessible । এটি জাষ্ট একটা ট্রিকস. Don’t take it seriously কারণ একটি সকল niches সাইট অথবা ভিন্নধর্মী কোনো কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কাজ নাও করতে পারে। একটা উদাহরণ শেয়ার করা হল কিভাবে board search result এবং exact search result দিয়েও আপনি কম্পিটিসন বুঝতে পারবেন।
তা ছাড়া সবার ব্যাক লিংক যদি Avg. ১০০-১,০০০ এর মধ্যে থাকে ( এখানে শুধুমাত্র সেই লিংক এর ব্যাক লিংক এর কথা বলা হয়েছে যে লিংক সার্চ রেজাল্ট এ এসেছে, ঐ ওয়েব সাইটের হোম পেজ এর নয়) তাহলে ধরে নিতে হয়ে যে সেটি লো কম্পেটিশন ।
আর যদি ঐ কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে ৫০% ওয়েব সাইটের এর হোম পেজ আসে তাহলে ধরে নিতে হবে তা মোটামুটি হাই- কম্পেটিশন কী-ওয়ার্ড।
সব কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস, লং টেইল কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে ?
Key Word রিসার্চ টুলসঃ
আপনার সাইটকে ভালভাবে অপটিমাইজ করার জন্য কীওয়ার্ড খুবই গুরত্তপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার প্রত্যেকটি পেজ ভাল ভাল কীওয়ার্ড দ্বারা ভালভাবে অপটিমাইজ করা থাকে, তাহলে তারা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভাল এবং টার্গেটেড ভিজিটর আনতে পারে খুব সহজেই।
এখানে অনেক নিয়ম আছে আপনার পেজ এর জন্য ভাল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করার। তাদের মধ্যে খুব ভাল এবং জনপ্রিয় হচ্ছে ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলসগুলোকে কাজে লাগানো। তাই কিছু ভাল অনলাইন টুলস ( ফ্রি টুলস, ব্রাউজার এক্সটেনশান এবং কিছু পেইড সার্ভিস এর ফ্রি ভার্সান) নিয়ে আলোচনা করা হবে। কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলসগুলো রিয়েল টাইম কোন ডাটা দিতে পারেনা কীওয়ার্ড সম্পর্কে প্রতি সার্চে । তারা তাদের ক্যাশ থেকে তথ্য গুলা দিয়ে থাকে।
নিচে কিছু কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছেঃ
১. গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুলস
----------------------------------
(https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal):
সম্ভবত এটা হচ্ছে সব ফ্রি রিসার্চ টুলস গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুল এসইও এর জন্য এবং এটা গুগল এর নিজস্ব কীওয়ার্ড টুল। শুধুমাত্র একটা কীওয়ার্ড অথবা প্রতি লাইনে একটি একটি বাক্য বসিয়ে রিলেটেড কীওয়ার্ড গুলো খুব সহজেই খুজে পাওয়া যায়। এখানে আপনি কীওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় ফিল্টার করতে পারবেন প্রয়োজনভেদে যেমন এক্সেট অথবা ফ্রেজ ম্যাচ টাইপ যা এসইও এর জন্য দরকার হয়। এরপর ও আপনি বিভিন্ন ভাষায় এবং দেশ ভেদে কীওয়ার্ড সার্চ করতে পারবেন। এর সাথেও আরো কিছু ফিচার আছে এটার যেমন আপনি কীওয়ার্ড আইডিয়া পেতে পারেন ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ ডিভাইস এবং মোবাইল ডিভাইস এর জন্য (ওয়াপ, মোবাইল ডিভাইস যাদের স্মার্ট ফোনের সুবিধা আছে), নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
কীওয়ার্ড আইডিয়া ট্যাব এ আপনি একটা কলাম দেখবেন যেখানে থাকবে Competition, Global Monthly Searches, Global Local Searches, Ad Share, Google Search Network, Search Share, Approximate CPC (cost-per-click bid), Local Search Trends graph and Extracted From Webpage, আমি আপনাকে সাজেস্ট করব All Columns বাটন এ ক্লিক দিয়ে সবগুলো এনাবল করে দেয়ার জন্য ভাল সার্চ কীওয়ার্ড খুজে পেতে যা সাহাজ্য করবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন
রিসার্চ শেষ করার পর আপনি আপনার রিসার্চ করা কীওয়ার্ড রেজাল্ট গুলো CSV format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। সবার মত আমরাও বলব যে এটা খুবই ইফেক্টিভ রিসার্চ টুল যার কাছে সব ধরনের ফিচার গুলো পাওয়া যায় এবং তা অবশ্যি ফ্রি তে।
২. গুগল ইনসাইট/ ট্রেন্ড (http://www.google.com/trends/)-
------------------------------------------------------------------------
ইন সাইট গুগল হচ্ছে গুগল এর অন্য একটি উপকারি টুল কীওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য। এটার মাধ্যমে আপনি মাল্টিপল কীওয়ার্ড তুলনা করতে পারবেন কিছু প্যারামিটার এর উপর যেমন সিলেক্টেড ক্যাটাগরি অনুযায়ী, দেশ অনুযায়ী এবং টাইম ফ্রেম অনুযায়ী। এখানেও আপনি ফিল্টার করার সুযোগ পাবেন যেমন ওয়েব সার্চ, ইমেজ সার্চ, নিউজ এবং প্রোডাক্ট সার্চ। এখানে আরো একটি মজার অপশন হচ্ছে আপনি আপনার তথ্য কে ওয়ার্ল্ড ম্যাপ এর মাধ্যমে তুলনা করতে পারবেন। নিচের ছবিটি দেখুন -
৩. Ubersuggest.org-
--------------------------
এটা হচ্ছে ফ্রি কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা গুগল কে ব্যাবহার করেই প্রায় তৈরি হয়েছে। এটার প্রধান কাজ হচ্ছে সাজেশান করা। এখানেও আপনি আপনার পছন্দমত ভাষা এবং আপনার কী ওয়ার্ড এর ধরন (ওয়েব, নিউজ, শপিং, ভিডিও অথবা রেসিপি) সিলেক্ট করতে পারবেন। Ubersuggest আপনার কীওয়ার্ড কে বিভিন্নভাবে পরিবর্তন করে আপনাকে সাজেস্ট করতে সক্ষম কীওয়ার্ড এর সাথে বর্ণ লাগিয়ে অথবা ডিজিট লাগিয়ে। সাজেশান করা কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে যদি আপনি আবার সার্চ করেন তাহলে আরো লং টেইল সাজেশান পাবেন।
যেমন এস ই ও এর জন্য আমি ৩৮০ সাজেশান পেলাম। নিচের ছবিটি দেখুন -
৪. Mergewords.com
--------------------------
এটার কাজ ও কিছুটা ubersuggest এর মত কিন্তু এটা কোন কীওয়ার্ড সাজেশান করবেনা। এটার কাজ হচ্ছে মার্জ করা যা হচ্ছে ৩ টা ভিন্ন কীওয়ার্ডকে একটি অর্থবোধক বাক্যে একত্র করে দিবে এটা। যা ডোমেইন রেজিস্ট্রেশান এর সময়, অ্যাডওয়ার্ডসেও ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। যা আমরা এস ই ও এর ভাষাই বলি সাফিক্স অথবা প্রিফিক্স যোগ করা।
৫. SEO Book free Keyword suggestion Tool
----------------------------------------------------------
(http://tools.seobook.com/keyword-tools/seobook/):
এটিও কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা Word tracker দ্বারা পরিচালিত। এটা ব্যাবহার করতে হলে অবশ্যই একটা অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে। এটা আপনার টপিক এর সাথে রিলেটেড সার্চ রেজাল্ট এবং রিলেটেড প্রেস দেখাবে। আপনি এটার ডাটা গুলো ও CSV file format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এটা ফ্রি শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশান এর মাধ্যমে ওদের মেম্বারশিপ হতে হচ্ছে।
৬. SEO Book Keyword Typo Generator
--------------------------------------------------
(http://tools.seobook.com/spelling/keywords-typos.cgi) :
এই টুল এর মাধ্যমে আপনি আপনার কীওয়ার্ড এর কিছু কমন বানান ভুল, ডাবল ওয়ার্ড খুব সহজেই বাহির করতে পারবেন যা ডোমেইন সিলেক্ট এবং কীওয়ার্ড সাজেশান এও খুব সাহাজ্য করবে।
৭. Wordtracker’s Free Keywords Suggestion Tool
----------------------------------------------------------------
(https://freekeywords.wordtracker.com/ ):
এটাও মোটামুটি জনপ্রিয় একটা কীওয়ার্ড সাজেশান টুল যার মাধ্যমে আপনি পাবেন ১০০ কী ওয়ার্ড প্রেস এবং এটা প্রতিদিন এর কীওয়ার্ড সার্চ দেখায়। এটা সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধানের প্রতিদিনের কীওয়ার্ড সার্চ নাম্বার দেখায় তাই আপনার যদি মাসিক সার্চ দরকার হয় তাহলে ৩০ দ্বারা গুন দিলেয় মাসিক সার্চ বাহির হয়ে যাবে।
৮. Word tracker’s Keyword Questions
---------------------------------------------------
(https://freekeywords.wordtracker.com/questions ):
এটা wordtracker এর অন্য একটি জনপ্রিয় ফিচার যার মাধ্যমে আপনি কিছু ইম্পরট্যান্ট তথ্য বাহির করতে পারবেন আপনার কীওয়ার্ড এর। শুধুমাত্র আপনার কীওয়ার্ডটা লিখে দেন এবং এটা আপনাকে ১০০ কীওয়ার্ড রিলেটেড প্রশ্ন বাহির করে দিবে যা আপনি আর্টিকেল লেখার টপিক হিসেবে ব্যাবহার করতে পারবেন এবং নতুন কী ওয়ার্ড আইডিয়া খুজে পেতে পারেন।
৯. SEMRUSH.com
-------------------------
এটা যদিও নাম করা একটি পেইড টুল কিন্তু আপনি এটার ফ্রি ভার্শান কে কাজে লাগিয়ে ভাল কীওয়ার্ড খুজে বের করতে পারেন সহজেই। কারণ যার ডাটাবেজ এ আছে ৯৫ লক্ষ + কীওয়ার্ড এবং ৪৩ লক্ষ + ডোমেইন। শুধুমাত্র ফ্রি ভার্শান এ কিছু লিমিট আছে, সেমরাশ লং টেইল কীওয়ার্ড বাহির করে দিতে সাহাজ্য করে।
১০. Keyword Spy
-----------------------
(http://www.keywordspy.com/ ):
এটাও একটি জনপ্রিয় পেইড কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল কিন্তু আপনি ফ্রি তে ১০ টা কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন।
১১. Soovle.com
---------------------
এটা একটি ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল যার মাধ্যমে ইন্টারনেট এ টপ সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে (Google, Amazon, Youtube, Netflix, Ebay, Buy, Bing, Answers, Wikipedia, Weather.com) একই সময়ে যে কোন কীওয়ার্ড কে তুলনা করতে পারেন। আপনি রেজাল্ট গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন বামে কর্নারে উপরে সেভ বাটন এ ক্লিক করে।
১২. Trafic Travis (http://www.traffictravis.com/)
------------------------------------------------------------
আর এখানে কী ওয়ার্ড রিসার্চ এর আরো একটি ভালো সফট হল Traffic Travis. এই সফটওয়্যার এর ফ্রি ভার্সন অনেক ভালো। আপনি এখান থেকে কী ওয়ার্ড রিসার্চের যাবতীয় সব ডাটা খুব সহজেই কালেকশন করতে পারেন।
আরো কিছু ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ
১৩। https://ads.youtube.com/keyword_tool/
১৪। http://www.alexa.com/siteinfo
১৫। http://www.bing.com/toolbox/keywords
১৬। http://www.getrank.org/tools/keyword-suggestion-generator/
১৭। http://www.google.com/trends/correlate/
১৮। http://www.seoquake.com/
১৯। http://actualkeywords.com/freekeywords.aspx
২০। http://www.keyworddiscovery.com/search.html
২১। http://www.wordstream.com/keywords
২২। http://www.spyfu.com/
২৩। http://www.wordze.com/
২৪। http://www.webseoanalytics.com/…/seo-t…/keyword-research.php
২৫। http://www.nichebotclassic.com/
২৬। http://labs.ebay.com/erl/demoto/to?
২৭। http://www.keywordeye.com/
কিছু ডেক্সটপ পেইড রিসার্চ টুলস-
২৮। http://www.goodkeywords.com/good-keywords/
২৯। http://www.marketsamurai.com/
৩০। http://keywordresearcher.org/
৩১। http://keywordscoutlite.com/free.html
৩২। http://www.advancedwebranking.com/feats-keyword-research-to
৩৩। http://www.link-assistant.com/rank-tracker/
প্রায় সব রিসার্চ টুলস এর কাজ একই রকম তাই একটা টুল যদি ভাল করে ব্যাবহার শিখতে পারেন তাহলে সব টুলস গুলো সহজেই ব্যাবহার করতে পারবেন। তবে আমি মনে করি যত বেশি টুলস তত বেশি দ্বন্দ্ব তাই যে কোন ভাল ২ টা অথবা ৩ টা টুলস কাজে লাগান।
লং টেইল (Long Tail Kew Word) কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে?
-------------------------------------------------------------------------
মনে করেন একজন ব্যক্তি মোবাইল ব্যাবহারকারী হিসেবে গুগল সার্চ করতে গেল একটা মোবাইল কেনার জন্য। তাহলে সাধারনত সে কখনই “Buy a mobile phone” লিখে সার্চ দিবেনা কারণ তার অবশ্যই কোন একটা মডেল পছন্দ থাকতে পারে। উদাহরণ দেয়া যাই তার একটি ৫ মেগাপিক্সেল এর নোকিয়া মোবাইল দরকার বাংলাদেশের কোন একটা স্পেসিফিক লোকেশান এ। তাহলে তার সার্চ অনুসন্ধান হবে “Nokia Mobile with 5 mega pixel camera in Bangladesh” তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে ব্র্যান্ড এর নাম উল্লেখ করা আছে, কিছু ফিচার ও আসছে এবং সাথে লোকেশান।
এটাকেই বলা হয়ে থাকে লং টেইল কীওয়ার্ড, যখন কোন কীওয়ার্ড ২, ৩ ও ৪ ওয়ার্ড ছেড়ে যাই তখন এটাকে লং টেইল কীওয়ার্ড বলা হয়ে থাকে। এটা খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ, এই কীওয়ার্ড গুলোর কম্পিটিশন কম থাকে এবং লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে। এবং ব্যাবহারকারী দের দিক থেকে চিন্তা করলে ভাল একটা পন্য খুঁজে বাহির করতে লং টেইল কীওয়ার্ড হচ্ছে বেস্ট কীওয়ার্ড।
কেন এই কী-ওয়ার্ড ভাল?
-------------------------------
লং টেইল কীওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কম থাকে।
লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে।
লো কম্পিটিশন থাকায় সহজেই রেঙ্ক করানো যায়।
লং টেইল কীওয়ার্ড এর সাথে শর্ট প্রেজ কীওয়ার্ড গুলো ও চলে আসে তাই ওগুলোসহ তাড়াতাড়ি রেঙ্ক হওয়ার চান্স অনেক বেশি থাকে। লং টেইল কীওয়ার্ড টার্গেটেড ট্রাফিক সাইট এ পাঠাতে সাহায্য করে। CTR অনেক বেশি থাকে। ব্যবসা এর জন্য লং টেইল কীওয়ার্ড খুবই দরকারি।
কিভাবে বাছাই করবেন?
-------------------------------
আপনি গুগল অ্যাডওয়ার্ডসকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই লং টেইল কীওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন অথবা যে কোন শর্ট কীওয়ার্ড কে সেমরাশ এ দিয়ে দিলে আপনি লং টেইল কীওয়ার্ড পেয়ে যাবেন। এছাড়া আপনি যদি Ubersuggest.org এর ব্যাবহার জানেন তাহলে অনেক লং টেইল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করতে পারবেন আপনার টার্গেটেড টপিক এর উপর।
Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর পদ্ধতিঃ
-----------------------------------------------------------
এখন আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর করবেন। নিচের ধাপগুলো একে একে অনুসরন করেলেই আশা করছি বুঝতে পারবেন।
নির্বাচন করুন আপনার কী-ওয়ার্ডঃ
-----------------------------------------
প্রথমে Google Adwords এ যান। মনে মনে আপনার কাঙ্ক্ষিত কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করুন। মনে করুন আপনি FootBall বিষয়ক একটি সাইট বানাতে চান। কি ধরনের সাইট বানাতে চান Football নিয়ে? যেটি নিয়ে আপনি সহজেই কাজ করতে পারবেন বা আর্টিকেল লিখতে পারবেন সেটা নির্বাচন করুন। যেমন সেটি হতে পারে fantasy football . কিংবা আপনি শুধু Football লিখে সার্চ দেন। তাহলে দেখবেন অনেক রিলিভেন্ট কী-ওয়ার্ড চলে এসেছে। এবার যেই কী-ওয়ার্ড আপনার কাছে ভালো মনে হবে সেটা কি নির্বাচন করুন।
এখন আপনি দেখবেন যে কী-ওয়ার্ড এ সার্চ ভলিয়ম মোটামুটি ২,০০০-৫০,০০০ (Exact সার্চ) আছে সেগুলো বাছাই করতে।
আপনার মনের মতো কী-ওয়ার্ড খুজে পেলে সেই কী-ওয়ার্ডকে সার্চ দিন গুগল ট্রেন্ডস এ। এতে করে আপনি বুঝতে পারবেন যে এই কী-ওয়ার্ডটি এখনো লাইভ মানে সার্চ হয় কিনা। তাছাড়া ওখান থেকে আপনি দেখে নিতে পারবেন যে কোন কোন দেশ এ ঐ কী-ওয়ার্ড বেশি সার্চ হয়। এতে করে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এর CPC ও নির্ধারণ করতে পারেন।
কম্পিটিটর এন্যালাইসিসঃ
-------------------------------
কম্পিটিটর এন্যালাইসিস মানে হল আপনি যে কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করেছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ যে প্রথম ১০ টি সাইট আছে সেগুলোর কম্পিটিশন বা তাদের ভ্যালু কেমন সেটা নির্বাচন করা। আপনাকে আগে ভাবতে হবে আপনি যে কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ আপনি সহজেই র‍্যাঙ্ক করাতে পারবেন কিন? কারন সব কী-ওয়ার্ডের কম্পিটেশন এক থাকে না, এমন অনেক কী-ওয়ার্ড আছে যার সার্চ ভলিয়ম অনেক বেশি কিন্তু এই ধরনের কম্পেটিশন অনেক কম। আপনাকে ঐ ধরনের কী-ওয়ার্ড নিয়েই কাজ করতে হবে।
এবার কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করবেন যে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এ কাজ করতে পারবেন কি না?
--------------------------------------
আর এই কাজ করার জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে SEO Quack এডঅন্স। যাদের এখন ও এই এডঅন্স নেই তারা ডাউনলোড করে আপনার ব্রাউজার এ ইন্সটল করে নিন।
কাজের ধাপঃ
---------------
প্রথমে আপনি যে কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট করেছেন সেই কী-ওয়ার্ডটি গুগল এ সার্চ ক

Tuesday, 6 October 2015

Earning Through Different Advertisement/Ad Networks:



1.
It doesn’t mean that if you have 1,000 visitors, you will have 1,000 people clicking the ads on your page. It is estimated that in every 1000 viewer, there will be 10 percent of that figure, which will click your ads.
Thus, if you will be paid for $0.05 per click, then 100 people clicking your website will convert to $5.
Of course, this is a hypothetical scenario and by mentioning this, you will have a general idea why building your audience is very important! So, before you start thinking of affiliating with various companies, you must make your website worthy of their payment.
Some of the world’s Top Ad Networks:
Google AdSense at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: None
·         Ad Types: Display, Video
·         Offer Types: CPC
·         Payment Methods: Check, EFT, Western Union
·         Payment Threshold: $100
·         Payment Terms: Net-30

AdBlade at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: 500,000 monthly Page Views
·         Ad Types: Display
·         Offer Types: CPC, CPM
·         Payment Methods: Check, PayPal
·         Payment Threshold: $100
·         Payment Terms: Net-30

Advertising.com at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: None
·         Ad Types: Display
·         Offer Types: CPA, CPC, CPM, Revenue Share
·         Payment Methods: Check, PayPal
·         Payment Threshold: $25
·         Payment Terms: Net-30
Chitika at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: None
·         Ad Types: Display, Inline Text
·         Offer Types: CPC
·         Payment Methods: Check, PayPal
·         Payment Threshold: $10
·         Payment Terms: Net-30

Clicksor at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: 50,000 monthly pageviews
·         Ad Types: Display, Inline Text
·         Offer Types: CPC, CPI, CPM, CPV
·         Payment Methods: Check, PayPal, Wire Transfer
·         Payment Threshold: $50
·         Payment Terms: Net-15

Infolinks at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: None
·         Ad Types: Display, Inline Text
·         Offer Types: CPC
·         Payment Methods: ACH Transfer, eCheck, Payoneer, Paypal, Western Union
·         Payment Threshold: $50
·         Payment Terms: Net-45

Media.net at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: None
·         Ad Types: Display
·         Offer Types: CPC
·         Payment Methods: PayPal, Wire Transfer
·         Payment Threshold: $100
·         Payment Terms: Net-30
Kontera at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: None
·         Ad Types: Display, Inline Text
·         Offer Types: CPC
·         Payment Methods: ACH Transfer, Check, PayPal
·         Payment Threshold: $50
·         Payment Terms: Net-40

PulsePoint at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: None
·         Ad Types: Display
·         Offer Types: CPM
·         Payment Methods: Check, PayPal
·         Payment Threshold: $50
·         Payment Terms: Net-30

Vibrant Media at a Glance
·         Publisher Traffic Requirement: 500,000 monthly pageviews
·         Ad Types: Inline Text
·         Offer Types: CPC, CPM, CPV
·         Payment Methods: ACH Transfer, Check, Wire Transfer
·         Payment Threshold: $5
·         Payment Terms: Net-45

Google Adsense maybe the most popular among these affiliates because they pay you per click on the ads placed in your page. Not to mention they are the biggest search engine in the World Wide Web.
As this might be the case, Adsense has many stringent requirements that can be burdensome to starting blog-for-money people. So it will good to consider other options as well.
BidVertiser’s minimum payout is $10 compared to Adsense’s $100.

Bangladeshi Ad Network


2.       Earn by uploading images:
This is simple to perform. All you have to do is to upload an image and link it to an external source. When someone clicks the photo, it will automatically equate to your earning.
To do this, you can simply register and make an account in ImageTwist and ImageCherry.


3.       Writing paid articles/sponsored posts or articles in your blog:
Another popular blog monetization method is to write blog sponsored reviews/paid articles for any one of the many websites/clients that pay you to blog. Learn about five of the most popular blog sponsored review sites that pay you to blog and start earning money from your blog. Just be sure to understand how to safely publish a paid post or sponsored review on your blog, so you don't negatively affect your blog's traffic.

1. PayPerPost

2. ReviewMe

3. SponsoredReviews

4. PayU2Blog

5. SocialSpark


4.       Sell Your Own Ad Space Directly to Advertisers:


Unlike AdSense ads, private ads don’t just come to you. You’ll have to go out and find them, much like the advertising staff of a magazine approaches companies about placing ads in their pages.You can attempt to sell your own ad space directly to advertisers, but unless your blog is established with a sizable audience, it can be difficult to manage and make money selling ad space directly.  Fortunately, there are sites like BuySellAds.com that link online publishers (like bloggers) up with online advertisers to make selling your ad space easier. Ad formats could be anything from banner, header, image, video ads to text link.

.
5.       Affiliate Marketing - You can also join a network or affiliate program to sell other people’s product and make money online.

The Amazon Associates program allows you to earn a portion of sales when people click-through from your blog to Amazon.com and make a purchase. You only earn money when people buy something from the web giant and the amount you earn varies based on what people order and how many people purchase through your links. The Associates program works best for people whose blog focuses on products and shopping in someway. You’ll earn more money if people are in a shopping mood when they visit your site.
Example Affiliate Program
http://www.hostgator.com/affiliates - One of the best hosting affiliate programs that pays to bloggers and affiliates $ 50 for each referred customer. Hostgator affiliate program allows users earning up to $125 per referral. Commission are paid via PayPal. Users can promote their affiliate links anywhere on the web such as Facebook, Twitter , Blogs , Forums etc.
Here is a list of companies you can join for free and become their Affiliate Marketer.
1. Commission Junction
2. Clickbank
3. ShareASale
4. Amazon Associates
5. eBay Partnet Network
6. E-Junkie
7. DigiResults
8. Google Affiliate Network
9. Linkshare


6.       Website/Domain Selling:
The process of site flipping usually involves the creation of design, content, and some traffic to then go and sell the blog.  The easiest way to do this is by forming a partnership and getting someone to design the blog while the other writes content and markets it. 
For Example: https://flippa.com/


7.       Ebook Sales – Writing an ebook is a great way to establish credibility and expertise in your niche while also providing a handsome income.  The way it works is that you provide a very useful resource – like an electronic book and then others buy it.  The best way to understand the process is by learning how to write an ebook and then how to sell it.

8.       Sell Your Images: Sell your photos online and make money. Here are some sites that allow you to make money by selling images.
SnapVillage
BigStockPhoto
CluterShot
ShutterStock
Dreamstime
DepositPhoto
IStockPhoto
Futolia
StockExpert

9. Answering Questions: There are sites that pay you for answering questions or giving advice. Everyone is an expert about something. I have composed a list of different sites that will pay you for your opinion.
Guruza
Small Biz Advice
Shvoong
Answer Gem
Ace College Classes
Live Person
Maholo
Weegy
ChaCha
Askables
Web Answer
KGB
Student of Fortune
Know Brainers
Just Answer
Help Owl

10. By using Link/URL shorteners
By adding URL or link to other sites may be helpful in making money through blogging. Once a sponsored link is clicked, it will automatically equate to an earning.
Two of the most popular companies that provide such services are Adf.ly and LinkBucks.com. Both of these companies pay $4 for 1000 clicks made on your URLs. Minimum payout is $10.
http://adf.ly/rates
http://www.linkbucks.com/payoutrates/