কী-ওয়ার্ড কী? কী-ওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার ও বাছাইকরণ ও বিশ্লেষন। ২য় ক্লাশ
প্রথমেই কী-ওয়ার্ড কী ? (পাশাপাশি লিঙ্ক দেয়া আছে টা ক্লিক করে দেখে নিন)
======================================================
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কী-ওয়ার্ড একটা গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়। মূলত কী-ওয়ার্ডকে দুই ভাবে বলা যেতে পারে। ১ম টি হচ্ছে যে সকল শব্দসমষ্টিকে কী-ওয়ার্ড নিয়ে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটি গঠন করেন তাকে বলে। আর ২য় টি হচ্ছে যে সকল মূলশব্দকে আপনি SEO করার জন্য বাছাই করেছেন তাকে কী-ওয়ার্ড।তবে আমার মত ২য় টাই SEO এর জন্য যথার্থ।কেননা SEO এর ভাষায় কী-ওয়ার্ড হল যে শব্দকে নিয়ে আপনি কাজ করবেন।
একটা উদাহারণ দেয়া যাক।যেমন আপনার একটা মুভি ডাউনলোডের সাইট আছে।সেক্ষেত্রে আপনার সাইটের কী-ওয়াড Download movie,Free download movie,movie watch and download এমন হওয়াই স্বভাবিক।আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করার জন্য সার্চ বক্সে লিখি তখন সার্চ ইন্জিন সে শব্দের উপর ভিত্তি করেই ফলাফল প্রকাশ করে।আর আপনার প্রদত্ত শব্দটাই হয় কী-ওয়ার্ড। যেমন আপনি “bangladesh newspaper” লিখে সার্চ করলেন।এখানে “bangladesh newspaper” হল আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড।এতে সার্চ ইন্জিন আপনাকে অনেক গুলো সাইটের ফলাফল দেখাবে ।এই ফলাফল দেখানোর মানে হল সার্চ ইন্জিন আপনার প্রদত্ত সার্চ কী-ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনাকে ফলাফল দেখাচ্ছে।এই ফলাফলের তালিকাই যেসকল সাইট আছে তারা সবাই bangladesh newspaper কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইটটি বানিয়েছে।তাহলে বুঝাই যায় যে কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
কিভাবে ব্যবহার করবেন কী-ওয়ার্ড ?
কী-ওয়ার্ড সম্পর্কে আমরা মোটামুটি একটা ধারণা পেয়েছি। এখন দেখা যাক কিভাবে এই কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। কী-ওয়ার্ড আপনি ২ ভাবে ব্যবহার করতে পারেন।যেমন
মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেল এর মাধ্যমে।
আসুন নিচে থেকে আরো বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
১. মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি। এর মধ্যে
< meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” />
এই ট্যাগটি “মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ” নামে পরিচিত।এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন। এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ও ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন।
ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা।আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি । তবে মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম বা টিপস মেনে চলা উচিত। তাতে করে আপনি আরো ভালো ফলাফল পেতে পারেন।যেমন:
আপনার সাইটের যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।
আপনার সাইটে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন সর্বোচ্চ ১ বার।
মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একটি কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন,যেমন প্রথমে যদি লেখেন Download hindi movie, hindi movie তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে download hindi movie বা আরএকটু পরিবর্তন করে download hindi movie online, hindi movie download করে নিতে পারেন।
কী-ওয়ার্ড এর বানান যেন কোনমতেই ভুল না যায় সেদিকে কড়া নজরদারি রাখতে হবে। যেমন বুশ লাদেনকে নজরদাড়িতে রেখেছিল প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা(,) ব্যবহার করুন এবং এর পর একটা স্পেস দিয়ে পরবর্তী কী-ওয়ার্ড দিবেন।
তারপর আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলো অন্যান ট্যাগে ব্যবহার করুন। যেসকল ট্যাগে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন সেগুলো হলো:
Description- Meta Tag
Titel – Meta Tag
ALT- Meta Tag
Description- Meta Tag কি ও কিভাবে কাজ করেঃ
--------------------------------------------------------------
এই মেটা ট্যাগটিও ওয়েব সাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ন। এটি সার্চ ইন্জিন এ আপনার সাইটের মুল বিষয়গুলোকে তুলে ধরে। মুলত আপনার সাইটে কি আছে তা বুঝানোর জন্য এ ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়। Meta Tag টি এমন-
< meta name="description" content="A blurb to describe the content of the page appears here"/>
author- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনি ভিজিটরদের জানাতে পারেন সাইটটি কে করেছে বা লিখেছে। Meta Tag টি এমন
<meta name="author" content="Sojib Rahman" />
Revisit-After- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগ টি ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট একটি নিদিষ্ট্ সময় অন্তর অন্তর আপনার সাইট ভিজিট করে ইনডেক্স করবে।
<meta name="revisit" content="15 days"/>
যেমন এই ট্যাগটি ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট আপনার সাইটটি ১৫ দিন পর পর রিভিজিট করবে। আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী সময় পরির্বতন করে দিতে পারেন।
Refresh- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগটিও বেশ প্রয়োজনীয়। যারা প্রতি মিনিটে মিনিটে সাইট আপডেট করে তারা এই মেটা ট্যাগটি থেকে উপকার পাবে। ভিজিটররা এরকম সাইট বার বার রিফ্রেশ করতে বিরক্ত বোধ করে। তাই এই ট্যাগের মাধ্যমে আপনিই অটো রিফ্রেশ এর সময় বেধে দিতে পারেন। এই মেটা ট্যাগ ব্যবহার করলে একটা নিদির্ষ্ট সময় পর পর আপনার সাইট অটো রিফ্রেশ হবে
<meta http-equiv="refresh" content="600">
এ ট্যাগটি সাইটে যোগ করার ফলে ৬০০ সেকেন্ড পর পর মানে ৫ মিনিট পর পর সাইট অটোরিফ্রেশ হবে।
Robots- Meta Tag:
------------------------
এই মেটা ট্যাগটি সার্চ ইন্জিন এর জন্য অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এই ট্যাগের মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন এর রোবট কে জানতে পারেন আপনার সাইটকে সে ইনডেক্স করবে কি করবে না। যদি আপনি এ ট্যাগটি
<META NAME="ROBOTS" CONTENT="INDEX,FOLLOW">
ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে আপনার সাইট তারা ইনডেক্স করতে পারে।আর যদি এ ট্যাগটি
<META NAME="ROBOTS" CONTENT="NOINDEX, NOFOLLOW">
ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে আপনি আপনার সাইটকে ইনডেক্স না করার জন্য বলছেন।
robots এর আর কিছু প্রয়োজনীয় মেটা ট্যাগ রয়েছে। যেমন:
ARCHIVE- Meta Tag
এ ট্যাগের মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিনে আপনার সকল ডাটা আর্কাইভ আকারে রাখতে পারেন।আর্কাইভ আকারে রাখতে চাইলে এই ট্যাগটি <meta name=”robots” content=”ARCHIVE” /> আর তা যদি না চান তাহলে ><meta name=”robots” content=”NOARCHIVE” /> ট্যাগটি ব্যবহার করুন।
ODP/YDIR- Meta Tag
ODP মানে হল DMOZ ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট। যখন একটি সাইট থেকে গুগল সার্চ ইন্জিন এর রোবট কোন description ট্যাগ পায়না তখন তারা DMOZ এর সাহায়্য নেয়। তারা DMOZ থেকে ত্য নিয়ে সাইটের description দেয়। আপনি যদি মনে করেন গুগলকে এ ধরনের কাজ হতে বিরত রাখতে তাহলে <meta name=”robots” content=”NOODP” />
এই ট্যাগটি দিতে পারেন।আর যদি মনে করেন তারা কাজটি করুক তাহলে <meta name=”robots” content=”ODP” /> দিয়ে দিন।
গুগলে মত ইয়াহু ও এ কাজ করে থাকে।তবে এক্ষেত্রে ইয়াহুর তাদের নিজেস্ব ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট (YDIR) ব্যব হার করে থাকে।তাই ইয়াহুর ক্ষেত্রে
<meta name=”robots” content=”NOYDIR” />
ও <meta name=”robots” content=”YDIR” /> কোড গুলো দিতে পারেন।
ইন্টারনেটে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিন রয়েছে বিশেষ কিছু সার্চ ইন্জিন এর জন্য আলাদা আলাদা robots মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা হয় যেমন
গুগলের জন্য <meta name="googlebot" content=”index">
ইয়াহুর জন্য <meta name="Slurp" content=”index">
MSN এর জন্য <meta name="msnbot" content=”index">
Language META Tag
এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট টি কোন Language এ লেখা তা জানাতে পারেন। সাধারণত বেশীর ভাগ সাইটে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করা হয়। এই ট্যাগটি এমন
<META HTTP-EQUIV="Content-Language" content="EN">
)))
২.সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলের মাধ্যমেঃ
আমরা অনেক মনে করি যে সার্চ ইন্জিনগুলো কেবল মেটা ট্যাগ নিয়ে সাইট ইনডেক্স করে। অনেক আবার এটাও মনে করেন যে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার না করলে হয়তো সাইট ইনডেক্স হবে না,ভালো ফল পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই তাদের জন্য বলছি মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের জন্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা মানে এই নয় যে সাইট ইনডেক্স হবে না কিংবা সাইট ইনডেক্স হলেও ভালো ফল পাওয়া যাবে না। মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের ক্রাউলিং করার কাজকে অনেক সহজ করে দেয়। যেমন আপনি যদি একটি বই পড়ার সময় বইয়ের সূচিপত্র দেখে কোন তথ্য খোজ করেন তা সহজেই আপনি খুজে পাবেন।আর মেটা কী-ওয়ার্ডটি আপনার সাইটের সূচিপত্রের মত কাজ করে। যেটা থাকলে সার্চ ইন্জিনগুলোর কাজ করতে সুবিধা হয়।
আপনি যখন আপনার সাইটের কোন কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখবেন তখন আপনি যে সকল শব্দ ব্যবহার করবেন তাই হল কী-ওয়ার্ড। তাই আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখুন। এটাই আপনার প্রথম কাজ। তাছাড়া অন্যান টিপস গুলো হলো….
প্রথমে আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলোর একটা খসড়া তালিকা তৈরী করুন। এই খসড়া তালিকায় কী-ওয়ার্ডগুলো আপনার পছন্দ আনুসারে সাজান।
আপনার বিষয় বস্তুর সাথে কোন কী-ওয়ার্ডটি বেশি মানায় সেটা নির্বাচন করুন।
আপনি আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের উপর জোর দিন।
আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি আপনার লেখা কনটেন্ট বা আর্টিকেলের প্রথম ২০০টি শব্দের মধ্যে রাখুন। এটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে অনেক ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
শুধু মাত্র ১ টি কী-ওয়ার্ড নিয়ে পড়ে থাকবেন না। একই ধরণের কী-ওয়ার্ডগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
গুগল সহ অন্যান সার্চ ইন্জিন কিন্তু কনটেন্ট বা আর্টিকেলে দেয়া কী-ওয়ার্ডগুলোর দিকে বেশি নজর দেয়,যা মেটা ট্যাগের চেয়ে অনেক গুন বেশি কি ভাবে?
আসুন দেখে নিইঃ
মনে করুন আপনি গুগল সার্চ ইন্জিনে গিয়ে সার্চ করলেন “download indian movie” লিখে।এর পর যে সাইট গুলো আসবে তার পাশে লেখা “Cached” এ ক্লিক করুন। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
তারপর গুগলের Cached করা সাইটের পাতাটি আপনার সামনে হাজির হবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
সেখানে তারা মার্কিং করে দেখাবে যে সাইটে আপনার দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলো কেমন ভাবে তারা ব্যবহার করেছে।
তো বুঝলেন সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলে আপনি যদি আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড ব্যবহার না করেন তাহলে কেমন ফল আপনি পেতে পারেন।
কেন এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ?
আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কী-ওয়ার্ড তো হল কিন্তু এ আবার বাছাই করবো কেন? আমরা কোন ভালো জিনিস পেতে যেমন বাছাই করি তেমনি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ভালো ফল পেতে সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের তুলনা হয় না।
আমরা অনেক সময় ভলো ফল পাবার জন্য বিভিন্ন হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইট তৈরী করে থাকি। যেমন Download Software,Download Movie,Song,Music,Tips ইত্যাদি। এসব কী-ওয়ার্ড গুলো হাই ট্রাফিক সম্পূর্ণ। এক বার যদি এসব কী-ওয়ার্ডের ১ম পেজে থাকতে পারেন তাহলে কেল্লা ফতে। ভিজিটর নিয়া নো চিন্তা। কিন্তু এমন সব হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ডে আছে প্রচুর প্রতিযোগীতা। ভালো ভালো ওয়েবমাষ্টাররা ও মাথার ঘাম পায়ে ফেলেন এসকল কী-ওয়ার্ড নিয়ে। তবে আমরা যেহেতু প্রথম থেকে শুরু করছি তাই এত বড় বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে মাথা ঘামাবো না। তাই আমাদের বের করতে হবে কিভাবে অন্যান কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। আর এই ভালো ভালো কী-ওয়ার্ড পাওয়ার জন্যই আপনার এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ।
চমৎকার সব কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক ভালো ট্রাফিক। আসুন দেখা যাক কিভাবে আমরা কী-ওয়ার্ড বাছাই করবো।
কী-ওয়ার্ড বাছাই এর সময় আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে গবেষনা করতে হবে। এই টার্মগুলো বিবেচনা করে আপনাকে আপনার সাইট এর জন্য সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে।
কী-ওয়ার্ড রিলিভেন্স (Keyword relevance) -
প্রথমে আপনার বিজনেস/সাইটটি কোন বিষয়বস্তুর উপর তা নির্ধারণ করুন। তারপর ওই বিষয়বস্তুটির Keyword কি সেটা নির্ধারণ করুন। ধরুন আপনার গাড়ীর পার্টস সেলিং (Car parts selling) রিলেটেড। লক্ষ্য করে দেখুন কার (CAR) কিওয়ার্ডটি highest volume keyword । এখন আপনাকে দেখতে হবে কতজন লোক গাড়ীর পার্টস (buy car parts) কিনতে CAR শব্দটি ব্যবহার করছে। এক্ষেত্রে আপনার কিওয়ার্ড কার (Car) হবে না। আপনার কিওয়ার্ড হবে আপনার সাইটের সাথে আরও Specific সম্পর্কযুক্ত। যেমন: BUY CAR PARTS, GETTING YOUR CAR PARTS। আপনার বিজনেস যদি গাড়ীর জানালা (CAR WINDOWS ) রিলেটেড হয় তাহলে আপনি আরও Specific কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। যেমন: buy car window। তখন আপনি সহজেই আপনার গ্রাহকের নিকট পৌছাতে পারবেন এবং গ্রাহকও আপনাকে সহজে খুজে বের করতে পারবে। আপনি হয়তো ভাবছেন এই কিওয়ার্ডটির Search Volume কম। তাই না? search volume কম হলেও Keyword Relevancy এর কারণে আপনার traffic ratio বাড়বে। তাই সারকথা হলো যতটুকু সম্ভব আপনি আপনার সাইট/বিজনেস এর সাথে Specific সম্পর্কযুক্ত Keyword নির্বাচন করুন।
অর্থাৎ, আপনি আপনার ভিজিটরকে ঠিক কোন বিষয়টির দিকে (অর্থাৎ Keyword) আকৃষ্ট করতে চান কিংবা কোন ভিজিটরদের নিকট আপনি পৌছতে চান যা আপনার ব্যবসা/সাইটের সাথে সম্পর্কিত সেটাই কি-ওয়ার্ড রিলিভেন্সী।
কি-ওয়ার্ড সার্চ ভলিউম (Keyword Search Volume) :
যে পরিমাণ লোক কোনো নিদিষ্ট কিওয়ার্ডে সার্চ দেয় সেটাই ওই Keyword এর Search Volume । ধরুন ১০,০০০ লোক Education কিওয়ার্ডটি দিয়ে সার্চ দেয়। তাহলে ওই ১০,০০০ লোক হলো উক্ত কিওয়ার্ড এর Search Volume। সার্চ ভলিউম একটি একক শব্দের হতে পারে কিংবা একটি শব্দগুচ্ছেও হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটেরও সার্চ ভলিউম হতে পারে। web analytics Tools দিয়ে এই সার্চ ভলিউম পরিমাপ করা হয়। যেমন: Google Keyword tool, Word tracker ইত্যাদি।
উপযুক্ত Keyword নির্বাচন করা ভালো ভিজিটর এর প্রথম শর্ত। High Search volume এর কিওয়ার্ডগুলোতে বেশি traffic পাওয়া যায়। তাই Keyword নির্বাচন করার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে যেন কিওয়ার্ডটির সার্চ ভলিউম ভালো হয়।
এবার আসুন দেখি সার্চ ভলিউম এর রেজাল্টগুলো নিয়ে।
Search volume এর রেজাল্ট ৩ ধরনের হয়:
Broad
Exact
Phrase
আপনি যখন Google Adwords Keyword Tool ব্যবহার করবেন তখন দেখতে পাবেন Left Sidebar এর ছোট্ট একটি বক্স আছে যাতে তিনটি চেকবক্স দেখা যাচ্ছে।
এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম সম্পর্কে তিন ধরনের তথ্য বের করতে পারবেন।
১. (Broad)- উক্ত কি-ওয়ার্ড দিয়ে সামগ্রিকভাবে সার্চ ভলিউম কত
২. শুধুমাত্র (Exact) আপনার কিওয়ার্ড এর শব্দ/শব্দগুলো দিয়ে কি পরিমাণ সার্চ ভলিউম
৩. এবং Phrase এর সাথে Match করা কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে সার্চ ভলিউম কি পরিমাণ।
প্রতিটিতে চেকবক্স এ টিক চিহ্ন বসিয়ে দেখুন একরকম রেজাল্ট দেখাবে আবার Broad এবং Phrase এর চেকবক্স উঠিয়ে দিলে অন্যরকম রেজাল্ট দেখাচ্ছে। এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর বিভিন্ন Search Volume সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।
কি-ওয়ার্ড প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী বিশ্লেষণ: (Keyword Competition & Competitor Analysis)-
Keyword Competition কি? কোনো Keyword কে rank এ নিয়ে আসার বাধাগুলোই মূলত Keyword Competition। Keyword এর জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে উক্ত Keywordটিতে কি পরিমাণ Competition হবে। সার্চ মার্কেটাররা এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে কিছু বিষয় নির্ধারণ করেন। যেমন এই কিওয়ার্ডটি রেঙ্ক এ আনতে কতটুকু শ্রম এবং কি পরিমাণ সময় লাগাতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই সহজে কিওয়ার্ডকে rank এ আনার জন্য তুলনামূলক less competitive keyword গুলো নির্বাচন করা উচিত। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে keyword competitiveness বিবেচনা/নির্ধারণ করা হবে? আর competitive Keyword Analysis এর সাথে কি কি বিষয় জড়িত? keyword competition কে effectively করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো Keyword tool আছে কি?
এখন বিষয় হলো, আপনি ১০ জন Internet Marketer কে সঠিক keyword competition কিভাবে পরিমাপ করা যায় এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করুন। দেখবেন ১০ জন ১০টি ব্যাতিক্রম সমাধান দিয়েছে। কিন্তু competition analyze করার জন্য সাধারণ কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো জানলে আপনি নিজেই ভালো analyzer হয়ে যাবে। আপনার প্রতিযোগীর সাইটগুলা বিবেচনা করলে আপনি আপনার কি-ওয়ার্ড এর কম্পিটিশন আন্দাজ করতে পারবেন।
এগুলো হলো:-
০১। Relevant Content: keyword টি কি কনটেন্ট এর মধ্যে আছে?
০২। Optimized Title : প্রতিযোগীর সাইটে আপনার নির্বাচিত keyword টি কি Title এ ব্যবহার করা হয়েছে?
০৩। Targeted Content: সাইটটিতে কি আপনার কিওয়ার্ডের উপর? নাকি জাস্ট পেজে কিওয়ার্ডটি মেনসন করা হয়েছে?
০৪। Page Links: উক্ত প্রতিযোগীর পেজে কতগুলো লিংক আছে?
০৫। Site Links: Root Domain এর উপর কতগুলো লিংক আছে?
০৬। Authority Links: উক্ত সাইটটিতে কি .edu, .gov, DMOZ, or Yahoo Directory link আছে?
০৭। Google Page Rank: সাইটটির Google Page Rank কত?
০৮। Site Age: Site টি কতদিন আগে তৈরী করা হয়েছে?
০৯। গুগলে কত গুলো লিংক ইনডেক্স আছে ?
১০। উক্ত সাইট গুলোর ব্যাক লিংক কত এবং তারা কি কি ধরনের ওয়েব সাইট থেকে ব্যাক লিংক পেয়েছে?
আর এর জন্য আপনি backlinkwatch.com সাইট এর সাহায্য নিতে পারেন।
১১। উক্ত সাইট গুলোর মধ্যে কতোগুলো সাইটের হোম পেজ এসেছে, অর্থাৎ ঐ কী-ওয়ার্ড যে রেজাল্ট এসেছে ওর মধ্যে কতোগুলো সাইটের মেইন ডোমেইন আছে?
১২। Type of Site: রেঙ্ক এ থাকা বা প্রতিযোগী সাইটটি কি দুর্বল প্রকৃতির সাইট? যেমন: article directories, forums, Yahoo Answers, other Q&A sites, social sites, অথবা অন্য user generated type সাইট, ইত্যাদি ?
উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর যখন উত্তর আপনার জানা হয়ে যাবে তখন আপনি নিজেই Keyword টি কতটুকু Competitive তা বুঝতে পারবেন। তাছাড়া আপনি board search result এবং exact search result ব্যবহার করেও keyword টির competition সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। আপনি গুগলে সার্চ দিয়েই এ সম্পর্কে আরও ধারণা পেতে পারেন। এটাকে কোনো মেথড মনে করবেন না। কারণ এটি সব categories তে কাজ নাও করতে পারে।
আপনি কিওয়ার্ডটি গুগলে সার্চ দেন?
প্রথম ১০ টি সাইটকে বিশ্লেষণ করেন। যদি দেখে সবগুলোর মোট পেজরেঙ্ক ২৫ এবং exact match index count যদি 10K এর নীচে হয় তখন বুঝবেন এখানে minimal link building করে গুগুল সার্চে প্রথম চারের ভেতর পৌছা সম্ভব।
যদি মোট পেজরেঙ্ক ৩৫ এবং index count যদি 60K এর নীচে হয় তাহলে আপনাকে TOP-4 এ পৌছতে ২ কিংবা ৩ মাস সময় লাগবে। এক্ষেত্রে index count যদি 100K এর নীচে হয় তবে দ্বিগুণ সময় লাগবে পারে।
আর যদি দেখেন পেজরেঙ্ক ৩৫ এর উপরে তখন index count যাই হোক না কেন বুঝতে হবে এটা inaccessible । এটি জাষ্ট একটা ট্রিকস. Don’t take it seriously কারণ একটি সকল niches সাইট অথবা ভিন্নধর্মী কোনো কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কাজ নাও করতে পারে। একটা উদাহরণ শেয়ার করা হল কিভাবে board search result এবং exact search result দিয়েও আপনি কম্পিটিসন বুঝতে পারবেন।
তা ছাড়া সবার ব্যাক লিংক যদি Avg. ১০০-১,০০০ এর মধ্যে থাকে ( এখানে শুধুমাত্র সেই লিংক এর ব্যাক লিংক এর কথা বলা হয়েছে যে লিংক সার্চ রেজাল্ট এ এসেছে, ঐ ওয়েব সাইটের হোম পেজ এর নয়) তাহলে ধরে নিতে হয়ে যে সেটি লো কম্পেটিশন ।
আর যদি ঐ কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে ৫০% ওয়েব সাইটের এর হোম পেজ আসে তাহলে ধরে নিতে হবে তা মোটামুটি হাই- কম্পেটিশন কী-ওয়ার্ড।
সব কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস, লং টেইল কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে ?
Key Word রিসার্চ টুলসঃ
আপনার সাইটকে ভালভাবে অপটিমাইজ করার জন্য কীওয়ার্ড খুবই গুরত্তপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার প্রত্যেকটি পেজ ভাল ভাল কীওয়ার্ড দ্বারা ভালভাবে অপটিমাইজ করা থাকে, তাহলে তারা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভাল এবং টার্গেটেড ভিজিটর আনতে পারে খুব সহজেই।
এখানে অনেক নিয়ম আছে আপনার পেজ এর জন্য ভাল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করার। তাদের মধ্যে খুব ভাল এবং জনপ্রিয় হচ্ছে ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলসগুলোকে কাজে লাগানো। তাই কিছু ভাল অনলাইন টুলস ( ফ্রি টুলস, ব্রাউজার এক্সটেনশান এবং কিছু পেইড সার্ভিস এর ফ্রি ভার্সান) নিয়ে আলোচনা করা হবে। কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলসগুলো রিয়েল টাইম কোন ডাটা দিতে পারেনা কীওয়ার্ড সম্পর্কে প্রতি সার্চে । তারা তাদের ক্যাশ থেকে তথ্য গুলা দিয়ে থাকে।
নিচে কিছু কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছেঃ
১. গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুলস
----------------------------------
(https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal):
সম্ভবত এটা হচ্ছে সব ফ্রি রিসার্চ টুলস গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুল এসইও এর জন্য এবং এটা গুগল এর নিজস্ব কীওয়ার্ড টুল। শুধুমাত্র একটা কীওয়ার্ড অথবা প্রতি লাইনে একটি একটি বাক্য বসিয়ে রিলেটেড কীওয়ার্ড গুলো খুব সহজেই খুজে পাওয়া যায়। এখানে আপনি কীওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় ফিল্টার করতে পারবেন প্রয়োজনভেদে যেমন এক্সেট অথবা ফ্রেজ ম্যাচ টাইপ যা এসইও এর জন্য দরকার হয়। এরপর ও আপনি বিভিন্ন ভাষায় এবং দেশ ভেদে কীওয়ার্ড সার্চ করতে পারবেন। এর সাথেও আরো কিছু ফিচার আছে এটার যেমন আপনি কীওয়ার্ড আইডিয়া পেতে পারেন ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ ডিভাইস এবং মোবাইল ডিভাইস এর জন্য (ওয়াপ, মোবাইল ডিভাইস যাদের স্মার্ট ফোনের সুবিধা আছে), নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
কীওয়ার্ড আইডিয়া ট্যাব এ আপনি একটা কলাম দেখবেন যেখানে থাকবে Competition, Global Monthly Searches, Global Local Searches, Ad Share, Google Search Network, Search Share, Approximate CPC (cost-per-click bid), Local Search Trends graph and Extracted From Webpage, আমি আপনাকে সাজেস্ট করব All Columns বাটন এ ক্লিক দিয়ে সবগুলো এনাবল করে দেয়ার জন্য ভাল সার্চ কীওয়ার্ড খুজে পেতে যা সাহাজ্য করবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন
রিসার্চ শেষ করার পর আপনি আপনার রিসার্চ করা কীওয়ার্ড রেজাল্ট গুলো CSV format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। সবার মত আমরাও বলব যে এটা খুবই ইফেক্টিভ রিসার্চ টুল যার কাছে সব ধরনের ফিচার গুলো পাওয়া যায় এবং তা অবশ্যি ফ্রি তে।
২. গুগল ইনসাইট/ ট্রেন্ড (http://www.google.com/trends/)-
------------------------------------------------------------------------
ইন সাইট গুগল হচ্ছে গুগল এর অন্য একটি উপকারি টুল কীওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য। এটার মাধ্যমে আপনি মাল্টিপল কীওয়ার্ড তুলনা করতে পারবেন কিছু প্যারামিটার এর উপর যেমন সিলেক্টেড ক্যাটাগরি অনুযায়ী, দেশ অনুযায়ী এবং টাইম ফ্রেম অনুযায়ী। এখানেও আপনি ফিল্টার করার সুযোগ পাবেন যেমন ওয়েব সার্চ, ইমেজ সার্চ, নিউজ এবং প্রোডাক্ট সার্চ। এখানে আরো একটি মজার অপশন হচ্ছে আপনি আপনার তথ্য কে ওয়ার্ল্ড ম্যাপ এর মাধ্যমে তুলনা করতে পারবেন। নিচের ছবিটি দেখুন -
৩. Ubersuggest.org-
--------------------------
এটা হচ্ছে ফ্রি কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা গুগল কে ব্যাবহার করেই প্রায় তৈরি হয়েছে। এটার প্রধান কাজ হচ্ছে সাজেশান করা। এখানেও আপনি আপনার পছন্দমত ভাষা এবং আপনার কী ওয়ার্ড এর ধরন (ওয়েব, নিউজ, শপিং, ভিডিও অথবা রেসিপি) সিলেক্ট করতে পারবেন। Ubersuggest আপনার কীওয়ার্ড কে বিভিন্নভাবে পরিবর্তন করে আপনাকে সাজেস্ট করতে সক্ষম কীওয়ার্ড এর সাথে বর্ণ লাগিয়ে অথবা ডিজিট লাগিয়ে। সাজেশান করা কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে যদি আপনি আবার সার্চ করেন তাহলে আরো লং টেইল সাজেশান পাবেন।
যেমন এস ই ও এর জন্য আমি ৩৮০ সাজেশান পেলাম। নিচের ছবিটি দেখুন -
৪. Mergewords.com
--------------------------
এটার কাজ ও কিছুটা ubersuggest এর মত কিন্তু এটা কোন কীওয়ার্ড সাজেশান করবেনা। এটার কাজ হচ্ছে মার্জ করা যা হচ্ছে ৩ টা ভিন্ন কীওয়ার্ডকে একটি অর্থবোধক বাক্যে একত্র করে দিবে এটা। যা ডোমেইন রেজিস্ট্রেশান এর সময়, অ্যাডওয়ার্ডসেও ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। যা আমরা এস ই ও এর ভাষাই বলি সাফিক্স অথবা প্রিফিক্স যোগ করা।
৫. SEO Book free Keyword suggestion Tool
----------------------------------------------------------
(http://tools.seobook.com/keyword-tools/seobook/):
এটিও কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা Word tracker দ্বারা পরিচালিত। এটা ব্যাবহার করতে হলে অবশ্যই একটা অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে। এটা আপনার টপিক এর সাথে রিলেটেড সার্চ রেজাল্ট এবং রিলেটেড প্রেস দেখাবে। আপনি এটার ডাটা গুলো ও CSV file format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এটা ফ্রি শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশান এর মাধ্যমে ওদের মেম্বারশিপ হতে হচ্ছে।
৬. SEO Book Keyword Typo Generator
--------------------------------------------------
(http://tools.seobook.com/spelling/keywords-typos.cgi) :
এই টুল এর মাধ্যমে আপনি আপনার কীওয়ার্ড এর কিছু কমন বানান ভুল, ডাবল ওয়ার্ড খুব সহজেই বাহির করতে পারবেন যা ডোমেইন সিলেক্ট এবং কীওয়ার্ড সাজেশান এও খুব সাহাজ্য করবে।
৭. Wordtracker’s Free Keywords Suggestion Tool
----------------------------------------------------------------
(https://freekeywords.wordtracker.com/ ):
এটাও মোটামুটি জনপ্রিয় একটা কীওয়ার্ড সাজেশান টুল যার মাধ্যমে আপনি পাবেন ১০০ কী ওয়ার্ড প্রেস এবং এটা প্রতিদিন এর কীওয়ার্ড সার্চ দেখায়। এটা সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধানের প্রতিদিনের কীওয়ার্ড সার্চ নাম্বার দেখায় তাই আপনার যদি মাসিক সার্চ দরকার হয় তাহলে ৩০ দ্বারা গুন দিলেয় মাসিক সার্চ বাহির হয়ে যাবে।
৮. Word tracker’s Keyword Questions
---------------------------------------------------
(https://freekeywords.wordtracker.com/questions ):
এটা wordtracker এর অন্য একটি জনপ্রিয় ফিচার যার মাধ্যমে আপনি কিছু ইম্পরট্যান্ট তথ্য বাহির করতে পারবেন আপনার কীওয়ার্ড এর। শুধুমাত্র আপনার কীওয়ার্ডটা লিখে দেন এবং এটা আপনাকে ১০০ কীওয়ার্ড রিলেটেড প্রশ্ন বাহির করে দিবে যা আপনি আর্টিকেল লেখার টপিক হিসেবে ব্যাবহার করতে পারবেন এবং নতুন কী ওয়ার্ড আইডিয়া খুজে পেতে পারেন।
৯. SEMRUSH.com
-------------------------
এটা যদিও নাম করা একটি পেইড টুল কিন্তু আপনি এটার ফ্রি ভার্শান কে কাজে লাগিয়ে ভাল কীওয়ার্ড খুজে বের করতে পারেন সহজেই। কারণ যার ডাটাবেজ এ আছে ৯৫ লক্ষ + কীওয়ার্ড এবং ৪৩ লক্ষ + ডোমেইন। শুধুমাত্র ফ্রি ভার্শান এ কিছু লিমিট আছে, সেমরাশ লং টেইল কীওয়ার্ড বাহির করে দিতে সাহাজ্য করে।
১০. Keyword Spy
-----------------------
(http://www.keywordspy.com/ ):
এটাও একটি জনপ্রিয় পেইড কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল কিন্তু আপনি ফ্রি তে ১০ টা কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন।
১১. Soovle.com
---------------------
এটা একটি ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল যার মাধ্যমে ইন্টারনেট এ টপ সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে (Google, Amazon, Youtube, Netflix, Ebay, Buy, Bing, Answers, Wikipedia, Weather.com) একই সময়ে যে কোন কীওয়ার্ড কে তুলনা করতে পারেন। আপনি রেজাল্ট গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন বামে কর্নারে উপরে সেভ বাটন এ ক্লিক করে।
১২. Trafic Travis (http://www.traffictravis.com/)
------------------------------------------------------------
আর এখানে কী ওয়ার্ড রিসার্চ এর আরো একটি ভালো সফট হল Traffic Travis. এই সফটওয়্যার এর ফ্রি ভার্সন অনেক ভালো। আপনি এখান থেকে কী ওয়ার্ড রিসার্চের যাবতীয় সব ডাটা খুব সহজেই কালেকশন করতে পারেন।
আরো কিছু ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ
১৩। https://ads.youtube.com/keyword_tool/
১৪। http://www.alexa.com/siteinfo
১৫। http://www.bing.com/toolbox/keywords
১৬। http://www.getrank.org/tools/keyword-suggestion-generator/
১৭। http://www.google.com/trends/correlate/
১৮। http://www.seoquake.com/
১৯। http://actualkeywords.com/freekeywords.aspx
২০। http://www.keyworddiscovery.com/search.html
২১। http://www.wordstream.com/keywords
২২। http://www.spyfu.com/
২৩। http://www.wordze.com/
২৪। http://www.webseoanalytics.com/…/seo-t…/keyword-research.php
২৫। http://www.nichebotclassic.com/
২৬। http://labs.ebay.com/erl/demoto/to?
২৭। http://www.keywordeye.com/
কিছু ডেক্সটপ পেইড রিসার্চ টুলস-
২৮। http://www.goodkeywords.com/good-keywords/
২৯। http://www.marketsamurai.com/
৩০। http://keywordresearcher.org/
৩১। http://keywordscoutlite.com/free.html
৩২। http://www.advancedwebranking.com/feats-keyword-research-to…
৩৩। http://www.link-assistant.com/rank-tracker/
প্রায় সব রিসার্চ টুলস এর কাজ একই রকম তাই একটা টুল যদি ভাল করে ব্যাবহার শিখতে পারেন তাহলে সব টুলস গুলো সহজেই ব্যাবহার করতে পারবেন। তবে আমি মনে করি যত বেশি টুলস তত বেশি দ্বন্দ্ব তাই যে কোন ভাল ২ টা অথবা ৩ টা টুলস কাজে লাগান।
লং টেইল (Long Tail Kew Word) কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে?
-------------------------------------------------------------------------
মনে করেন একজন ব্যক্তি মোবাইল ব্যাবহারকারী হিসেবে গুগল সার্চ করতে গেল একটা মোবাইল কেনার জন্য। তাহলে সাধারনত সে কখনই “Buy a mobile phone” লিখে সার্চ দিবেনা কারণ তার অবশ্যই কোন একটা মডেল পছন্দ থাকতে পারে। উদাহরণ দেয়া যাই তার একটি ৫ মেগাপিক্সেল এর নোকিয়া মোবাইল দরকার বাংলাদেশের কোন একটা স্পেসিফিক লোকেশান এ। তাহলে তার সার্চ অনুসন্ধান হবে “Nokia Mobile with 5 mega pixel camera in Bangladesh” তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে ব্র্যান্ড এর নাম উল্লেখ করা আছে, কিছু ফিচার ও আসছে এবং সাথে লোকেশান।
এটাকেই বলা হয়ে থাকে লং টেইল কীওয়ার্ড, যখন কোন কীওয়ার্ড ২, ৩ ও ৪ ওয়ার্ড ছেড়ে যাই তখন এটাকে লং টেইল কীওয়ার্ড বলা হয়ে থাকে। এটা খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ, এই কীওয়ার্ড গুলোর কম্পিটিশন কম থাকে এবং লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে। এবং ব্যাবহারকারী দের দিক থেকে চিন্তা করলে ভাল একটা পন্য খুঁজে বাহির করতে লং টেইল কীওয়ার্ড হচ্ছে বেস্ট কীওয়ার্ড।
কেন এই কী-ওয়ার্ড ভাল?
-------------------------------
লং টেইল কীওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কম থাকে।
লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে।
লো কম্পিটিশন থাকায় সহজেই রেঙ্ক করানো যায়।
লং টেইল কীওয়ার্ড এর সাথে শর্ট প্রেজ কীওয়ার্ড গুলো ও চলে আসে তাই ওগুলোসহ তাড়াতাড়ি রেঙ্ক হওয়ার চান্স অনেক বেশি থাকে। লং টেইল কীওয়ার্ড টার্গেটেড ট্রাফিক সাইট এ পাঠাতে সাহায্য করে। CTR অনেক বেশি থাকে। ব্যবসা এর জন্য লং টেইল কীওয়ার্ড খুবই দরকারি।
কিভাবে বাছাই করবেন?
-------------------------------
আপনি গুগল অ্যাডওয়ার্ডসকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই লং টেইল কীওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন অথবা যে কোন শর্ট কীওয়ার্ড কে সেমরাশ এ দিয়ে দিলে আপনি লং টেইল কীওয়ার্ড পেয়ে যাবেন। এছাড়া আপনি যদি Ubersuggest.org এর ব্যাবহার জানেন তাহলে অনেক লং টেইল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করতে পারবেন আপনার টার্গেটেড টপিক এর উপর।
Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর পদ্ধতিঃ
-----------------------------------------------------------
এখন আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর করবেন। নিচের ধাপগুলো একে একে অনুসরন করেলেই আশা করছি বুঝতে পারবেন।
নির্বাচন করুন আপনার কী-ওয়ার্ডঃ
-----------------------------------------
প্রথমে Google Adwords এ যান। মনে মনে আপনার কাঙ্ক্ষিত কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করুন। মনে করুন আপনি FootBall বিষয়ক একটি সাইট বানাতে চান। কি ধরনের সাইট বানাতে চান Football নিয়ে? যেটি নিয়ে আপনি সহজেই কাজ করতে পারবেন বা আর্টিকেল লিখতে পারবেন সেটা নির্বাচন করুন। যেমন সেটি হতে পারে fantasy football . কিংবা আপনি শুধু Football লিখে সার্চ দেন। তাহলে দেখবেন অনেক রিলিভেন্ট কী-ওয়ার্ড চলে এসেছে। এবার যেই কী-ওয়ার্ড আপনার কাছে ভালো মনে হবে সেটা কি নির্বাচন করুন।
এখন আপনি দেখবেন যে কী-ওয়ার্ড এ সার্চ ভলিয়ম মোটামুটি ২,০০০-৫০,০০০ (Exact সার্চ) আছে সেগুলো বাছাই করতে।
আপনার মনের মতো কী-ওয়ার্ড খুজে পেলে সেই কী-ওয়ার্ডকে সার্চ দিন গুগল ট্রেন্ডস এ। এতে করে আপনি বুঝতে পারবেন যে এই কী-ওয়ার্ডটি এখনো লাইভ মানে সার্চ হয় কিনা। তাছাড়া ওখান থেকে আপনি দেখে নিতে পারবেন যে কোন কোন দেশ এ ঐ কী-ওয়ার্ড বেশি সার্চ হয়। এতে করে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এর CPC ও নির্ধারণ করতে পারেন।
কম্পিটিটর এন্যালাইসিসঃ
-------------------------------
কম্পিটিটর এন্যালাইসিস মানে হল আপনি যে কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করেছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ যে প্রথম ১০ টি সাইট আছে সেগুলোর কম্পিটিশন বা তাদের ভ্যালু কেমন সেটা নির্বাচন করা। আপনাকে আগে ভাবতে হবে আপনি যে কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ আপনি সহজেই র্যাঙ্ক করাতে পারবেন কিন? কারন সব কী-ওয়ার্ডের কম্পিটেশন এক থাকে না, এমন অনেক কী-ওয়ার্ড আছে যার সার্চ ভলিয়ম অনেক বেশি কিন্তু এই ধরনের কম্পেটিশন অনেক কম। আপনাকে ঐ ধরনের কী-ওয়ার্ড নিয়েই কাজ করতে হবে।
এবার কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করবেন যে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এ কাজ করতে পারবেন কি না?
--------------------------------------
আর এই কাজ করার জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে SEO Quack এডঅন্স। যাদের এখন ও এই এডঅন্স নেই তারা ডাউনলোড করে আপনার ব্রাউজার এ ইন্সটল করে নিন।
কাজের ধাপঃ
---------------
প্রথমে আপনি যে কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট করেছেন সেই কী-ওয়ার্ডটি গুগল এ সার্চ ক
প্রথমেই কী-ওয়ার্ড কী ? (পাশাপাশি লিঙ্ক দেয়া আছে টা ক্লিক করে দেখে নিন)
======================================================
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কী-ওয়ার্ড একটা গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়। মূলত কী-ওয়ার্ডকে দুই ভাবে বলা যেতে পারে। ১ম টি হচ্ছে যে সকল শব্দসমষ্টিকে কী-ওয়ার্ড নিয়ে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটি গঠন করেন তাকে বলে। আর ২য় টি হচ্ছে যে সকল মূলশব্দকে আপনি SEO করার জন্য বাছাই করেছেন তাকে কী-ওয়ার্ড।তবে আমার মত ২য় টাই SEO এর জন্য যথার্থ।কেননা SEO এর ভাষায় কী-ওয়ার্ড হল যে শব্দকে নিয়ে আপনি কাজ করবেন।
একটা উদাহারণ দেয়া যাক।যেমন আপনার একটা মুভি ডাউনলোডের সাইট আছে।সেক্ষেত্রে আপনার সাইটের কী-ওয়াড Download movie,Free download movie,movie watch and download এমন হওয়াই স্বভাবিক।আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করার জন্য সার্চ বক্সে লিখি তখন সার্চ ইন্জিন সে শব্দের উপর ভিত্তি করেই ফলাফল প্রকাশ করে।আর আপনার প্রদত্ত শব্দটাই হয় কী-ওয়ার্ড। যেমন আপনি “bangladesh newspaper” লিখে সার্চ করলেন।এখানে “bangladesh newspaper” হল আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড।এতে সার্চ ইন্জিন আপনাকে অনেক গুলো সাইটের ফলাফল দেখাবে ।এই ফলাফল দেখানোর মানে হল সার্চ ইন্জিন আপনার প্রদত্ত সার্চ কী-ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনাকে ফলাফল দেখাচ্ছে।এই ফলাফলের তালিকাই যেসকল সাইট আছে তারা সবাই bangladesh newspaper কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইটটি বানিয়েছে।তাহলে বুঝাই যায় যে কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
কিভাবে ব্যবহার করবেন কী-ওয়ার্ড ?
কী-ওয়ার্ড সম্পর্কে আমরা মোটামুটি একটা ধারণা পেয়েছি। এখন দেখা যাক কিভাবে এই কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। কী-ওয়ার্ড আপনি ২ ভাবে ব্যবহার করতে পারেন।যেমন
মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেল এর মাধ্যমে।
আসুন নিচে থেকে আরো বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
১. মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি। এর মধ্যে
< meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” />
এই ট্যাগটি “মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ” নামে পরিচিত।এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন। এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ও ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন।
ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা।আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি । তবে মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম বা টিপস মেনে চলা উচিত। তাতে করে আপনি আরো ভালো ফলাফল পেতে পারেন।যেমন:
আপনার সাইটের যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।
আপনার সাইটে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন সর্বোচ্চ ১ বার।
মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একটি কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন,যেমন প্রথমে যদি লেখেন Download hindi movie, hindi movie তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে download hindi movie বা আরএকটু পরিবর্তন করে download hindi movie online, hindi movie download করে নিতে পারেন।
কী-ওয়ার্ড এর বানান যেন কোনমতেই ভুল না যায় সেদিকে কড়া নজরদারি রাখতে হবে। যেমন বুশ লাদেনকে নজরদাড়িতে রেখেছিল প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা(,) ব্যবহার করুন এবং এর পর একটা স্পেস দিয়ে পরবর্তী কী-ওয়ার্ড দিবেন।
তারপর আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলো অন্যান ট্যাগে ব্যবহার করুন। যেসকল ট্যাগে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন সেগুলো হলো:
Description- Meta Tag
Titel – Meta Tag
ALT- Meta Tag
Description- Meta Tag কি ও কিভাবে কাজ করেঃ
--------------------------------------------------------------
এই মেটা ট্যাগটিও ওয়েব সাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ন। এটি সার্চ ইন্জিন এ আপনার সাইটের মুল বিষয়গুলোকে তুলে ধরে। মুলত আপনার সাইটে কি আছে তা বুঝানোর জন্য এ ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়। Meta Tag টি এমন-
< meta name="description" content="A blurb to describe the content of the page appears here"/>
author- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনি ভিজিটরদের জানাতে পারেন সাইটটি কে করেছে বা লিখেছে। Meta Tag টি এমন
<meta name="author" content="Sojib Rahman" />
Revisit-After- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগ টি ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট একটি নিদিষ্ট্ সময় অন্তর অন্তর আপনার সাইট ভিজিট করে ইনডেক্স করবে।
<meta name="revisit" content="15 days"/>
যেমন এই ট্যাগটি ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট আপনার সাইটটি ১৫ দিন পর পর রিভিজিট করবে। আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী সময় পরির্বতন করে দিতে পারেন।
Refresh- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগটিও বেশ প্রয়োজনীয়। যারা প্রতি মিনিটে মিনিটে সাইট আপডেট করে তারা এই মেটা ট্যাগটি থেকে উপকার পাবে। ভিজিটররা এরকম সাইট বার বার রিফ্রেশ করতে বিরক্ত বোধ করে। তাই এই ট্যাগের মাধ্যমে আপনিই অটো রিফ্রেশ এর সময় বেধে দিতে পারেন। এই মেটা ট্যাগ ব্যবহার করলে একটা নিদির্ষ্ট সময় পর পর আপনার সাইট অটো রিফ্রেশ হবে
<meta http-equiv="refresh" content="600">
এ ট্যাগটি সাইটে যোগ করার ফলে ৬০০ সেকেন্ড পর পর মানে ৫ মিনিট পর পর সাইট অটোরিফ্রেশ হবে।
Robots- Meta Tag:
------------------------
এই মেটা ট্যাগটি সার্চ ইন্জিন এর জন্য অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এই ট্যাগের মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন এর রোবট কে জানতে পারেন আপনার সাইটকে সে ইনডেক্স করবে কি করবে না। যদি আপনি এ ট্যাগটি
<META NAME="ROBOTS" CONTENT="INDEX,FOLLOW">
ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে আপনার সাইট তারা ইনডেক্স করতে পারে।আর যদি এ ট্যাগটি
<META NAME="ROBOTS" CONTENT="NOINDEX, NOFOLLOW">
ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে আপনি আপনার সাইটকে ইনডেক্স না করার জন্য বলছেন।
robots এর আর কিছু প্রয়োজনীয় মেটা ট্যাগ রয়েছে। যেমন:
ARCHIVE- Meta Tag
এ ট্যাগের মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিনে আপনার সকল ডাটা আর্কাইভ আকারে রাখতে পারেন।আর্কাইভ আকারে রাখতে চাইলে এই ট্যাগটি <meta name=”robots” content=”ARCHIVE” /> আর তা যদি না চান তাহলে ><meta name=”robots” content=”NOARCHIVE” /> ট্যাগটি ব্যবহার করুন।
ODP/YDIR- Meta Tag
ODP মানে হল DMOZ ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট। যখন একটি সাইট থেকে গুগল সার্চ ইন্জিন এর রোবট কোন description ট্যাগ পায়না তখন তারা DMOZ এর সাহায়্য নেয়। তারা DMOZ থেকে ত্য নিয়ে সাইটের description দেয়। আপনি যদি মনে করেন গুগলকে এ ধরনের কাজ হতে বিরত রাখতে তাহলে <meta name=”robots” content=”NOODP” />
এই ট্যাগটি দিতে পারেন।আর যদি মনে করেন তারা কাজটি করুক তাহলে <meta name=”robots” content=”ODP” /> দিয়ে দিন।
গুগলে মত ইয়াহু ও এ কাজ করে থাকে।তবে এক্ষেত্রে ইয়াহুর তাদের নিজেস্ব ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট (YDIR) ব্যব হার করে থাকে।তাই ইয়াহুর ক্ষেত্রে
<meta name=”robots” content=”NOYDIR” />
ও <meta name=”robots” content=”YDIR” /> কোড গুলো দিতে পারেন।
ইন্টারনেটে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিন রয়েছে বিশেষ কিছু সার্চ ইন্জিন এর জন্য আলাদা আলাদা robots মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা হয় যেমন
গুগলের জন্য <meta name="googlebot" content=”index">
ইয়াহুর জন্য <meta name="Slurp" content=”index">
MSN এর জন্য <meta name="msnbot" content=”index">
Language META Tag
এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট টি কোন Language এ লেখা তা জানাতে পারেন। সাধারণত বেশীর ভাগ সাইটে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করা হয়। এই ট্যাগটি এমন
<META HTTP-EQUIV="Content-Language" content="EN">
)))
২.সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলের মাধ্যমেঃ
আমরা অনেক মনে করি যে সার্চ ইন্জিনগুলো কেবল মেটা ট্যাগ নিয়ে সাইট ইনডেক্স করে। অনেক আবার এটাও মনে করেন যে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার না করলে হয়তো সাইট ইনডেক্স হবে না,ভালো ফল পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই তাদের জন্য বলছি মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের জন্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা মানে এই নয় যে সাইট ইনডেক্স হবে না কিংবা সাইট ইনডেক্স হলেও ভালো ফল পাওয়া যাবে না। মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের ক্রাউলিং করার কাজকে অনেক সহজ করে দেয়। যেমন আপনি যদি একটি বই পড়ার সময় বইয়ের সূচিপত্র দেখে কোন তথ্য খোজ করেন তা সহজেই আপনি খুজে পাবেন।আর মেটা কী-ওয়ার্ডটি আপনার সাইটের সূচিপত্রের মত কাজ করে। যেটা থাকলে সার্চ ইন্জিনগুলোর কাজ করতে সুবিধা হয়।
আপনি যখন আপনার সাইটের কোন কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখবেন তখন আপনি যে সকল শব্দ ব্যবহার করবেন তাই হল কী-ওয়ার্ড। তাই আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখুন। এটাই আপনার প্রথম কাজ। তাছাড়া অন্যান টিপস গুলো হলো….
প্রথমে আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলোর একটা খসড়া তালিকা তৈরী করুন। এই খসড়া তালিকায় কী-ওয়ার্ডগুলো আপনার পছন্দ আনুসারে সাজান।
আপনার বিষয় বস্তুর সাথে কোন কী-ওয়ার্ডটি বেশি মানায় সেটা নির্বাচন করুন।
আপনি আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের উপর জোর দিন।
আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি আপনার লেখা কনটেন্ট বা আর্টিকেলের প্রথম ২০০টি শব্দের মধ্যে রাখুন। এটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে অনেক ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
শুধু মাত্র ১ টি কী-ওয়ার্ড নিয়ে পড়ে থাকবেন না। একই ধরণের কী-ওয়ার্ডগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
গুগল সহ অন্যান সার্চ ইন্জিন কিন্তু কনটেন্ট বা আর্টিকেলে দেয়া কী-ওয়ার্ডগুলোর দিকে বেশি নজর দেয়,যা মেটা ট্যাগের চেয়ে অনেক গুন বেশি কি ভাবে?
আসুন দেখে নিইঃ
মনে করুন আপনি গুগল সার্চ ইন্জিনে গিয়ে সার্চ করলেন “download indian movie” লিখে।এর পর যে সাইট গুলো আসবে তার পাশে লেখা “Cached” এ ক্লিক করুন। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
তারপর গুগলের Cached করা সাইটের পাতাটি আপনার সামনে হাজির হবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
সেখানে তারা মার্কিং করে দেখাবে যে সাইটে আপনার দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলো কেমন ভাবে তারা ব্যবহার করেছে।
তো বুঝলেন সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলে আপনি যদি আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড ব্যবহার না করেন তাহলে কেমন ফল আপনি পেতে পারেন।
কেন এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ?
আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কী-ওয়ার্ড তো হল কিন্তু এ আবার বাছাই করবো কেন? আমরা কোন ভালো জিনিস পেতে যেমন বাছাই করি তেমনি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ভালো ফল পেতে সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের তুলনা হয় না।
আমরা অনেক সময় ভলো ফল পাবার জন্য বিভিন্ন হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইট তৈরী করে থাকি। যেমন Download Software,Download Movie,Song,Music,Tips ইত্যাদি। এসব কী-ওয়ার্ড গুলো হাই ট্রাফিক সম্পূর্ণ। এক বার যদি এসব কী-ওয়ার্ডের ১ম পেজে থাকতে পারেন তাহলে কেল্লা ফতে। ভিজিটর নিয়া নো চিন্তা। কিন্তু এমন সব হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ডে আছে প্রচুর প্রতিযোগীতা। ভালো ভালো ওয়েবমাষ্টাররা ও মাথার ঘাম পায়ে ফেলেন এসকল কী-ওয়ার্ড নিয়ে। তবে আমরা যেহেতু প্রথম থেকে শুরু করছি তাই এত বড় বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে মাথা ঘামাবো না। তাই আমাদের বের করতে হবে কিভাবে অন্যান কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। আর এই ভালো ভালো কী-ওয়ার্ড পাওয়ার জন্যই আপনার এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ।
চমৎকার সব কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক ভালো ট্রাফিক। আসুন দেখা যাক কিভাবে আমরা কী-ওয়ার্ড বাছাই করবো।
কী-ওয়ার্ড বাছাই এর সময় আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে গবেষনা করতে হবে। এই টার্মগুলো বিবেচনা করে আপনাকে আপনার সাইট এর জন্য সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে।
কী-ওয়ার্ড রিলিভেন্স (Keyword relevance) -
প্রথমে আপনার বিজনেস/সাইটটি কোন বিষয়বস্তুর উপর তা নির্ধারণ করুন। তারপর ওই বিষয়বস্তুটির Keyword কি সেটা নির্ধারণ করুন। ধরুন আপনার গাড়ীর পার্টস সেলিং (Car parts selling) রিলেটেড। লক্ষ্য করে দেখুন কার (CAR) কিওয়ার্ডটি highest volume keyword । এখন আপনাকে দেখতে হবে কতজন লোক গাড়ীর পার্টস (buy car parts) কিনতে CAR শব্দটি ব্যবহার করছে। এক্ষেত্রে আপনার কিওয়ার্ড কার (Car) হবে না। আপনার কিওয়ার্ড হবে আপনার সাইটের সাথে আরও Specific সম্পর্কযুক্ত। যেমন: BUY CAR PARTS, GETTING YOUR CAR PARTS। আপনার বিজনেস যদি গাড়ীর জানালা (CAR WINDOWS ) রিলেটেড হয় তাহলে আপনি আরও Specific কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। যেমন: buy car window। তখন আপনি সহজেই আপনার গ্রাহকের নিকট পৌছাতে পারবেন এবং গ্রাহকও আপনাকে সহজে খুজে বের করতে পারবে। আপনি হয়তো ভাবছেন এই কিওয়ার্ডটির Search Volume কম। তাই না? search volume কম হলেও Keyword Relevancy এর কারণে আপনার traffic ratio বাড়বে। তাই সারকথা হলো যতটুকু সম্ভব আপনি আপনার সাইট/বিজনেস এর সাথে Specific সম্পর্কযুক্ত Keyword নির্বাচন করুন।
অর্থাৎ, আপনি আপনার ভিজিটরকে ঠিক কোন বিষয়টির দিকে (অর্থাৎ Keyword) আকৃষ্ট করতে চান কিংবা কোন ভিজিটরদের নিকট আপনি পৌছতে চান যা আপনার ব্যবসা/সাইটের সাথে সম্পর্কিত সেটাই কি-ওয়ার্ড রিলিভেন্সী।
কি-ওয়ার্ড সার্চ ভলিউম (Keyword Search Volume) :
যে পরিমাণ লোক কোনো নিদিষ্ট কিওয়ার্ডে সার্চ দেয় সেটাই ওই Keyword এর Search Volume । ধরুন ১০,০০০ লোক Education কিওয়ার্ডটি দিয়ে সার্চ দেয়। তাহলে ওই ১০,০০০ লোক হলো উক্ত কিওয়ার্ড এর Search Volume। সার্চ ভলিউম একটি একক শব্দের হতে পারে কিংবা একটি শব্দগুচ্ছেও হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটেরও সার্চ ভলিউম হতে পারে। web analytics Tools দিয়ে এই সার্চ ভলিউম পরিমাপ করা হয়। যেমন: Google Keyword tool, Word tracker ইত্যাদি।
উপযুক্ত Keyword নির্বাচন করা ভালো ভিজিটর এর প্রথম শর্ত। High Search volume এর কিওয়ার্ডগুলোতে বেশি traffic পাওয়া যায়। তাই Keyword নির্বাচন করার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে যেন কিওয়ার্ডটির সার্চ ভলিউম ভালো হয়।
এবার আসুন দেখি সার্চ ভলিউম এর রেজাল্টগুলো নিয়ে।
Search volume এর রেজাল্ট ৩ ধরনের হয়:
Broad
Exact
Phrase
আপনি যখন Google Adwords Keyword Tool ব্যবহার করবেন তখন দেখতে পাবেন Left Sidebar এর ছোট্ট একটি বক্স আছে যাতে তিনটি চেকবক্স দেখা যাচ্ছে।
এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম সম্পর্কে তিন ধরনের তথ্য বের করতে পারবেন।
১. (Broad)- উক্ত কি-ওয়ার্ড দিয়ে সামগ্রিকভাবে সার্চ ভলিউম কত
২. শুধুমাত্র (Exact) আপনার কিওয়ার্ড এর শব্দ/শব্দগুলো দিয়ে কি পরিমাণ সার্চ ভলিউম
৩. এবং Phrase এর সাথে Match করা কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে সার্চ ভলিউম কি পরিমাণ।
প্রতিটিতে চেকবক্স এ টিক চিহ্ন বসিয়ে দেখুন একরকম রেজাল্ট দেখাবে আবার Broad এবং Phrase এর চেকবক্স উঠিয়ে দিলে অন্যরকম রেজাল্ট দেখাচ্ছে। এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর বিভিন্ন Search Volume সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।
কি-ওয়ার্ড প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী বিশ্লেষণ: (Keyword Competition & Competitor Analysis)-
Keyword Competition কি? কোনো Keyword কে rank এ নিয়ে আসার বাধাগুলোই মূলত Keyword Competition। Keyword এর জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে উক্ত Keywordটিতে কি পরিমাণ Competition হবে। সার্চ মার্কেটাররা এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে কিছু বিষয় নির্ধারণ করেন। যেমন এই কিওয়ার্ডটি রেঙ্ক এ আনতে কতটুকু শ্রম এবং কি পরিমাণ সময় লাগাতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই সহজে কিওয়ার্ডকে rank এ আনার জন্য তুলনামূলক less competitive keyword গুলো নির্বাচন করা উচিত। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে keyword competitiveness বিবেচনা/নির্ধারণ করা হবে? আর competitive Keyword Analysis এর সাথে কি কি বিষয় জড়িত? keyword competition কে effectively করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো Keyword tool আছে কি?
এখন বিষয় হলো, আপনি ১০ জন Internet Marketer কে সঠিক keyword competition কিভাবে পরিমাপ করা যায় এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করুন। দেখবেন ১০ জন ১০টি ব্যাতিক্রম সমাধান দিয়েছে। কিন্তু competition analyze করার জন্য সাধারণ কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো জানলে আপনি নিজেই ভালো analyzer হয়ে যাবে। আপনার প্রতিযোগীর সাইটগুলা বিবেচনা করলে আপনি আপনার কি-ওয়ার্ড এর কম্পিটিশন আন্দাজ করতে পারবেন।
এগুলো হলো:-
০১। Relevant Content: keyword টি কি কনটেন্ট এর মধ্যে আছে?
০২। Optimized Title : প্রতিযোগীর সাইটে আপনার নির্বাচিত keyword টি কি Title এ ব্যবহার করা হয়েছে?
০৩। Targeted Content: সাইটটিতে কি আপনার কিওয়ার্ডের উপর? নাকি জাস্ট পেজে কিওয়ার্ডটি মেনসন করা হয়েছে?
০৪। Page Links: উক্ত প্রতিযোগীর পেজে কতগুলো লিংক আছে?
০৫। Site Links: Root Domain এর উপর কতগুলো লিংক আছে?
০৬। Authority Links: উক্ত সাইটটিতে কি .edu, .gov, DMOZ, or Yahoo Directory link আছে?
০৭। Google Page Rank: সাইটটির Google Page Rank কত?
০৮। Site Age: Site টি কতদিন আগে তৈরী করা হয়েছে?
০৯। গুগলে কত গুলো লিংক ইনডেক্স আছে ?
১০। উক্ত সাইট গুলোর ব্যাক লিংক কত এবং তারা কি কি ধরনের ওয়েব সাইট থেকে ব্যাক লিংক পেয়েছে?
আর এর জন্য আপনি backlinkwatch.com সাইট এর সাহায্য নিতে পারেন।
১১। উক্ত সাইট গুলোর মধ্যে কতোগুলো সাইটের হোম পেজ এসেছে, অর্থাৎ ঐ কী-ওয়ার্ড যে রেজাল্ট এসেছে ওর মধ্যে কতোগুলো সাইটের মেইন ডোমেইন আছে?
১২। Type of Site: রেঙ্ক এ থাকা বা প্রতিযোগী সাইটটি কি দুর্বল প্রকৃতির সাইট? যেমন: article directories, forums, Yahoo Answers, other Q&A sites, social sites, অথবা অন্য user generated type সাইট, ইত্যাদি ?
উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর যখন উত্তর আপনার জানা হয়ে যাবে তখন আপনি নিজেই Keyword টি কতটুকু Competitive তা বুঝতে পারবেন। তাছাড়া আপনি board search result এবং exact search result ব্যবহার করেও keyword টির competition সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। আপনি গুগলে সার্চ দিয়েই এ সম্পর্কে আরও ধারণা পেতে পারেন। এটাকে কোনো মেথড মনে করবেন না। কারণ এটি সব categories তে কাজ নাও করতে পারে।
আপনি কিওয়ার্ডটি গুগলে সার্চ দেন?
প্রথম ১০ টি সাইটকে বিশ্লেষণ করেন। যদি দেখে সবগুলোর মোট পেজরেঙ্ক ২৫ এবং exact match index count যদি 10K এর নীচে হয় তখন বুঝবেন এখানে minimal link building করে গুগুল সার্চে প্রথম চারের ভেতর পৌছা সম্ভব।
যদি মোট পেজরেঙ্ক ৩৫ এবং index count যদি 60K এর নীচে হয় তাহলে আপনাকে TOP-4 এ পৌছতে ২ কিংবা ৩ মাস সময় লাগবে। এক্ষেত্রে index count যদি 100K এর নীচে হয় তবে দ্বিগুণ সময় লাগবে পারে।
আর যদি দেখেন পেজরেঙ্ক ৩৫ এর উপরে তখন index count যাই হোক না কেন বুঝতে হবে এটা inaccessible । এটি জাষ্ট একটা ট্রিকস. Don’t take it seriously কারণ একটি সকল niches সাইট অথবা ভিন্নধর্মী কোনো কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কাজ নাও করতে পারে। একটা উদাহরণ শেয়ার করা হল কিভাবে board search result এবং exact search result দিয়েও আপনি কম্পিটিসন বুঝতে পারবেন।
তা ছাড়া সবার ব্যাক লিংক যদি Avg. ১০০-১,০০০ এর মধ্যে থাকে ( এখানে শুধুমাত্র সেই লিংক এর ব্যাক লিংক এর কথা বলা হয়েছে যে লিংক সার্চ রেজাল্ট এ এসেছে, ঐ ওয়েব সাইটের হোম পেজ এর নয়) তাহলে ধরে নিতে হয়ে যে সেটি লো কম্পেটিশন ।
আর যদি ঐ কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে ৫০% ওয়েব সাইটের এর হোম পেজ আসে তাহলে ধরে নিতে হবে তা মোটামুটি হাই- কম্পেটিশন কী-ওয়ার্ড।
সব কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস, লং টেইল কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে ?
Key Word রিসার্চ টুলসঃ
আপনার সাইটকে ভালভাবে অপটিমাইজ করার জন্য কীওয়ার্ড খুবই গুরত্তপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার প্রত্যেকটি পেজ ভাল ভাল কীওয়ার্ড দ্বারা ভালভাবে অপটিমাইজ করা থাকে, তাহলে তারা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভাল এবং টার্গেটেড ভিজিটর আনতে পারে খুব সহজেই।
এখানে অনেক নিয়ম আছে আপনার পেজ এর জন্য ভাল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করার। তাদের মধ্যে খুব ভাল এবং জনপ্রিয় হচ্ছে ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলসগুলোকে কাজে লাগানো। তাই কিছু ভাল অনলাইন টুলস ( ফ্রি টুলস, ব্রাউজার এক্সটেনশান এবং কিছু পেইড সার্ভিস এর ফ্রি ভার্সান) নিয়ে আলোচনা করা হবে। কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলসগুলো রিয়েল টাইম কোন ডাটা দিতে পারেনা কীওয়ার্ড সম্পর্কে প্রতি সার্চে । তারা তাদের ক্যাশ থেকে তথ্য গুলা দিয়ে থাকে।
নিচে কিছু কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছেঃ
১. গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুলস
----------------------------------
(https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal):
সম্ভবত এটা হচ্ছে সব ফ্রি রিসার্চ টুলস গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুল এসইও এর জন্য এবং এটা গুগল এর নিজস্ব কীওয়ার্ড টুল। শুধুমাত্র একটা কীওয়ার্ড অথবা প্রতি লাইনে একটি একটি বাক্য বসিয়ে রিলেটেড কীওয়ার্ড গুলো খুব সহজেই খুজে পাওয়া যায়। এখানে আপনি কীওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় ফিল্টার করতে পারবেন প্রয়োজনভেদে যেমন এক্সেট অথবা ফ্রেজ ম্যাচ টাইপ যা এসইও এর জন্য দরকার হয়। এরপর ও আপনি বিভিন্ন ভাষায় এবং দেশ ভেদে কীওয়ার্ড সার্চ করতে পারবেন। এর সাথেও আরো কিছু ফিচার আছে এটার যেমন আপনি কীওয়ার্ড আইডিয়া পেতে পারেন ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ ডিভাইস এবং মোবাইল ডিভাইস এর জন্য (ওয়াপ, মোবাইল ডিভাইস যাদের স্মার্ট ফোনের সুবিধা আছে), নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -
কীওয়ার্ড আইডিয়া ট্যাব এ আপনি একটা কলাম দেখবেন যেখানে থাকবে Competition, Global Monthly Searches, Global Local Searches, Ad Share, Google Search Network, Search Share, Approximate CPC (cost-per-click bid), Local Search Trends graph and Extracted From Webpage, আমি আপনাকে সাজেস্ট করব All Columns বাটন এ ক্লিক দিয়ে সবগুলো এনাবল করে দেয়ার জন্য ভাল সার্চ কীওয়ার্ড খুজে পেতে যা সাহাজ্য করবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন
রিসার্চ শেষ করার পর আপনি আপনার রিসার্চ করা কীওয়ার্ড রেজাল্ট গুলো CSV format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। সবার মত আমরাও বলব যে এটা খুবই ইফেক্টিভ রিসার্চ টুল যার কাছে সব ধরনের ফিচার গুলো পাওয়া যায় এবং তা অবশ্যি ফ্রি তে।
২. গুগল ইনসাইট/ ট্রেন্ড (http://www.google.com/trends/)-
------------------------------------------------------------------------
ইন সাইট গুগল হচ্ছে গুগল এর অন্য একটি উপকারি টুল কীওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য। এটার মাধ্যমে আপনি মাল্টিপল কীওয়ার্ড তুলনা করতে পারবেন কিছু প্যারামিটার এর উপর যেমন সিলেক্টেড ক্যাটাগরি অনুযায়ী, দেশ অনুযায়ী এবং টাইম ফ্রেম অনুযায়ী। এখানেও আপনি ফিল্টার করার সুযোগ পাবেন যেমন ওয়েব সার্চ, ইমেজ সার্চ, নিউজ এবং প্রোডাক্ট সার্চ। এখানে আরো একটি মজার অপশন হচ্ছে আপনি আপনার তথ্য কে ওয়ার্ল্ড ম্যাপ এর মাধ্যমে তুলনা করতে পারবেন। নিচের ছবিটি দেখুন -
৩. Ubersuggest.org-
--------------------------
এটা হচ্ছে ফ্রি কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা গুগল কে ব্যাবহার করেই প্রায় তৈরি হয়েছে। এটার প্রধান কাজ হচ্ছে সাজেশান করা। এখানেও আপনি আপনার পছন্দমত ভাষা এবং আপনার কী ওয়ার্ড এর ধরন (ওয়েব, নিউজ, শপিং, ভিডিও অথবা রেসিপি) সিলেক্ট করতে পারবেন। Ubersuggest আপনার কীওয়ার্ড কে বিভিন্নভাবে পরিবর্তন করে আপনাকে সাজেস্ট করতে সক্ষম কীওয়ার্ড এর সাথে বর্ণ লাগিয়ে অথবা ডিজিট লাগিয়ে। সাজেশান করা কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে যদি আপনি আবার সার্চ করেন তাহলে আরো লং টেইল সাজেশান পাবেন।
যেমন এস ই ও এর জন্য আমি ৩৮০ সাজেশান পেলাম। নিচের ছবিটি দেখুন -
৪. Mergewords.com
--------------------------
এটার কাজ ও কিছুটা ubersuggest এর মত কিন্তু এটা কোন কীওয়ার্ড সাজেশান করবেনা। এটার কাজ হচ্ছে মার্জ করা যা হচ্ছে ৩ টা ভিন্ন কীওয়ার্ডকে একটি অর্থবোধক বাক্যে একত্র করে দিবে এটা। যা ডোমেইন রেজিস্ট্রেশান এর সময়, অ্যাডওয়ার্ডসেও ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। যা আমরা এস ই ও এর ভাষাই বলি সাফিক্স অথবা প্রিফিক্স যোগ করা।
৫. SEO Book free Keyword suggestion Tool
----------------------------------------------------------
(http://tools.seobook.com/keyword-tools/seobook/):
এটিও কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা Word tracker দ্বারা পরিচালিত। এটা ব্যাবহার করতে হলে অবশ্যই একটা অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে। এটা আপনার টপিক এর সাথে রিলেটেড সার্চ রেজাল্ট এবং রিলেটেড প্রেস দেখাবে। আপনি এটার ডাটা গুলো ও CSV file format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এটা ফ্রি শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশান এর মাধ্যমে ওদের মেম্বারশিপ হতে হচ্ছে।
৬. SEO Book Keyword Typo Generator
--------------------------------------------------
(http://tools.seobook.com/spelling/keywords-typos.cgi) :
এই টুল এর মাধ্যমে আপনি আপনার কীওয়ার্ড এর কিছু কমন বানান ভুল, ডাবল ওয়ার্ড খুব সহজেই বাহির করতে পারবেন যা ডোমেইন সিলেক্ট এবং কীওয়ার্ড সাজেশান এও খুব সাহাজ্য করবে।
৭. Wordtracker’s Free Keywords Suggestion Tool
----------------------------------------------------------------
(https://freekeywords.wordtracker.com/ ):
এটাও মোটামুটি জনপ্রিয় একটা কীওয়ার্ড সাজেশান টুল যার মাধ্যমে আপনি পাবেন ১০০ কী ওয়ার্ড প্রেস এবং এটা প্রতিদিন এর কীওয়ার্ড সার্চ দেখায়। এটা সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধানের প্রতিদিনের কীওয়ার্ড সার্চ নাম্বার দেখায় তাই আপনার যদি মাসিক সার্চ দরকার হয় তাহলে ৩০ দ্বারা গুন দিলেয় মাসিক সার্চ বাহির হয়ে যাবে।
৮. Word tracker’s Keyword Questions
---------------------------------------------------
(https://freekeywords.wordtracker.com/questions ):
এটা wordtracker এর অন্য একটি জনপ্রিয় ফিচার যার মাধ্যমে আপনি কিছু ইম্পরট্যান্ট তথ্য বাহির করতে পারবেন আপনার কীওয়ার্ড এর। শুধুমাত্র আপনার কীওয়ার্ডটা লিখে দেন এবং এটা আপনাকে ১০০ কীওয়ার্ড রিলেটেড প্রশ্ন বাহির করে দিবে যা আপনি আর্টিকেল লেখার টপিক হিসেবে ব্যাবহার করতে পারবেন এবং নতুন কী ওয়ার্ড আইডিয়া খুজে পেতে পারেন।
৯. SEMRUSH.com
-------------------------
এটা যদিও নাম করা একটি পেইড টুল কিন্তু আপনি এটার ফ্রি ভার্শান কে কাজে লাগিয়ে ভাল কীওয়ার্ড খুজে বের করতে পারেন সহজেই। কারণ যার ডাটাবেজ এ আছে ৯৫ লক্ষ + কীওয়ার্ড এবং ৪৩ লক্ষ + ডোমেইন। শুধুমাত্র ফ্রি ভার্শান এ কিছু লিমিট আছে, সেমরাশ লং টেইল কীওয়ার্ড বাহির করে দিতে সাহাজ্য করে।
১০. Keyword Spy
-----------------------
(http://www.keywordspy.com/ ):
এটাও একটি জনপ্রিয় পেইড কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল কিন্তু আপনি ফ্রি তে ১০ টা কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন।
১১. Soovle.com
---------------------
এটা একটি ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল যার মাধ্যমে ইন্টারনেট এ টপ সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে (Google, Amazon, Youtube, Netflix, Ebay, Buy, Bing, Answers, Wikipedia, Weather.com) একই সময়ে যে কোন কীওয়ার্ড কে তুলনা করতে পারেন। আপনি রেজাল্ট গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন বামে কর্নারে উপরে সেভ বাটন এ ক্লিক করে।
১২. Trafic Travis (http://www.traffictravis.com/)
------------------------------------------------------------
আর এখানে কী ওয়ার্ড রিসার্চ এর আরো একটি ভালো সফট হল Traffic Travis. এই সফটওয়্যার এর ফ্রি ভার্সন অনেক ভালো। আপনি এখান থেকে কী ওয়ার্ড রিসার্চের যাবতীয় সব ডাটা খুব সহজেই কালেকশন করতে পারেন।
আরো কিছু ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ
১৩। https://ads.youtube.com/keyword_tool/
১৪। http://www.alexa.com/siteinfo
১৫। http://www.bing.com/toolbox/keywords
১৬। http://www.getrank.org/tools/keyword-suggestion-generator/
১৭। http://www.google.com/trends/correlate/
১৮। http://www.seoquake.com/
১৯। http://actualkeywords.com/freekeywords.aspx
২০। http://www.keyworddiscovery.com/search.html
২১। http://www.wordstream.com/keywords
২২। http://www.spyfu.com/
২৩। http://www.wordze.com/
২৪। http://www.webseoanalytics.com/…/seo-t…/keyword-research.php
২৫। http://www.nichebotclassic.com/
২৬। http://labs.ebay.com/erl/demoto/to?
২৭। http://www.keywordeye.com/
কিছু ডেক্সটপ পেইড রিসার্চ টুলস-
২৮। http://www.goodkeywords.com/good-keywords/
২৯। http://www.marketsamurai.com/
৩০। http://keywordresearcher.org/
৩১। http://keywordscoutlite.com/free.html
৩২। http://www.advancedwebranking.com/feats-keyword-research-to…
৩৩। http://www.link-assistant.com/rank-tracker/
প্রায় সব রিসার্চ টুলস এর কাজ একই রকম তাই একটা টুল যদি ভাল করে ব্যাবহার শিখতে পারেন তাহলে সব টুলস গুলো সহজেই ব্যাবহার করতে পারবেন। তবে আমি মনে করি যত বেশি টুলস তত বেশি দ্বন্দ্ব তাই যে কোন ভাল ২ টা অথবা ৩ টা টুলস কাজে লাগান।
লং টেইল (Long Tail Kew Word) কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে?
-------------------------------------------------------------------------
মনে করেন একজন ব্যক্তি মোবাইল ব্যাবহারকারী হিসেবে গুগল সার্চ করতে গেল একটা মোবাইল কেনার জন্য। তাহলে সাধারনত সে কখনই “Buy a mobile phone” লিখে সার্চ দিবেনা কারণ তার অবশ্যই কোন একটা মডেল পছন্দ থাকতে পারে। উদাহরণ দেয়া যাই তার একটি ৫ মেগাপিক্সেল এর নোকিয়া মোবাইল দরকার বাংলাদেশের কোন একটা স্পেসিফিক লোকেশান এ। তাহলে তার সার্চ অনুসন্ধান হবে “Nokia Mobile with 5 mega pixel camera in Bangladesh” তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে ব্র্যান্ড এর নাম উল্লেখ করা আছে, কিছু ফিচার ও আসছে এবং সাথে লোকেশান।
এটাকেই বলা হয়ে থাকে লং টেইল কীওয়ার্ড, যখন কোন কীওয়ার্ড ২, ৩ ও ৪ ওয়ার্ড ছেড়ে যাই তখন এটাকে লং টেইল কীওয়ার্ড বলা হয়ে থাকে। এটা খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ, এই কীওয়ার্ড গুলোর কম্পিটিশন কম থাকে এবং লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে। এবং ব্যাবহারকারী দের দিক থেকে চিন্তা করলে ভাল একটা পন্য খুঁজে বাহির করতে লং টেইল কীওয়ার্ড হচ্ছে বেস্ট কীওয়ার্ড।
কেন এই কী-ওয়ার্ড ভাল?
-------------------------------
লং টেইল কীওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কম থাকে।
লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে।
লো কম্পিটিশন থাকায় সহজেই রেঙ্ক করানো যায়।
লং টেইল কীওয়ার্ড এর সাথে শর্ট প্রেজ কীওয়ার্ড গুলো ও চলে আসে তাই ওগুলোসহ তাড়াতাড়ি রেঙ্ক হওয়ার চান্স অনেক বেশি থাকে। লং টেইল কীওয়ার্ড টার্গেটেড ট্রাফিক সাইট এ পাঠাতে সাহায্য করে। CTR অনেক বেশি থাকে। ব্যবসা এর জন্য লং টেইল কীওয়ার্ড খুবই দরকারি।
কিভাবে বাছাই করবেন?
-------------------------------
আপনি গুগল অ্যাডওয়ার্ডসকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই লং টেইল কীওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন অথবা যে কোন শর্ট কীওয়ার্ড কে সেমরাশ এ দিয়ে দিলে আপনি লং টেইল কীওয়ার্ড পেয়ে যাবেন। এছাড়া আপনি যদি Ubersuggest.org এর ব্যাবহার জানেন তাহলে অনেক লং টেইল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করতে পারবেন আপনার টার্গেটেড টপিক এর উপর।
Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর পদ্ধতিঃ
-----------------------------------------------------------
এখন আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর করবেন। নিচের ধাপগুলো একে একে অনুসরন করেলেই আশা করছি বুঝতে পারবেন।
নির্বাচন করুন আপনার কী-ওয়ার্ডঃ
-----------------------------------------
প্রথমে Google Adwords এ যান। মনে মনে আপনার কাঙ্ক্ষিত কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করুন। মনে করুন আপনি FootBall বিষয়ক একটি সাইট বানাতে চান। কি ধরনের সাইট বানাতে চান Football নিয়ে? যেটি নিয়ে আপনি সহজেই কাজ করতে পারবেন বা আর্টিকেল লিখতে পারবেন সেটা নির্বাচন করুন। যেমন সেটি হতে পারে fantasy football . কিংবা আপনি শুধু Football লিখে সার্চ দেন। তাহলে দেখবেন অনেক রিলিভেন্ট কী-ওয়ার্ড চলে এসেছে। এবার যেই কী-ওয়ার্ড আপনার কাছে ভালো মনে হবে সেটা কি নির্বাচন করুন।
এখন আপনি দেখবেন যে কী-ওয়ার্ড এ সার্চ ভলিয়ম মোটামুটি ২,০০০-৫০,০০০ (Exact সার্চ) আছে সেগুলো বাছাই করতে।
আপনার মনের মতো কী-ওয়ার্ড খুজে পেলে সেই কী-ওয়ার্ডকে সার্চ দিন গুগল ট্রেন্ডস এ। এতে করে আপনি বুঝতে পারবেন যে এই কী-ওয়ার্ডটি এখনো লাইভ মানে সার্চ হয় কিনা। তাছাড়া ওখান থেকে আপনি দেখে নিতে পারবেন যে কোন কোন দেশ এ ঐ কী-ওয়ার্ড বেশি সার্চ হয়। এতে করে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এর CPC ও নির্ধারণ করতে পারেন।
কম্পিটিটর এন্যালাইসিসঃ
-------------------------------
কম্পিটিটর এন্যালাইসিস মানে হল আপনি যে কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করেছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ যে প্রথম ১০ টি সাইট আছে সেগুলোর কম্পিটিশন বা তাদের ভ্যালু কেমন সেটা নির্বাচন করা। আপনাকে আগে ভাবতে হবে আপনি যে কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ আপনি সহজেই র্যাঙ্ক করাতে পারবেন কিন? কারন সব কী-ওয়ার্ডের কম্পিটেশন এক থাকে না, এমন অনেক কী-ওয়ার্ড আছে যার সার্চ ভলিয়ম অনেক বেশি কিন্তু এই ধরনের কম্পেটিশন অনেক কম। আপনাকে ঐ ধরনের কী-ওয়ার্ড নিয়েই কাজ করতে হবে।
এবার কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করবেন যে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এ কাজ করতে পারবেন কি না?
--------------------------------------
আর এই কাজ করার জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে SEO Quack এডঅন্স। যাদের এখন ও এই এডঅন্স নেই তারা ডাউনলোড করে আপনার ব্রাউজার এ ইন্সটল করে নিন।
কাজের ধাপঃ
---------------
প্রথমে আপনি যে কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট করেছেন সেই কী-ওয়ার্ডটি গুগল এ সার্চ ক

No comments:
Post a Comment